ক্যাম্পাসক্যাম্পাস

কুবির নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে পাঁচ

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অর্থনীতি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে হেনস্তার অভিযোগে বাস চালক–হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ।

‎

‎শনিবার (২৪ জানুয়ারি) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মুস্তাকিম বিল্লাহ ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎

‎জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী থেকে তিশা প্লাটিনাম বাসে করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে নারী শিক্ষার্থীকে বাসের সিট ঠিক করে দিতে গিয়ে হেলপার উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন।

‎

‎পরবর্তীতে নারী শিক্ষার্থী তার বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী পদুয়াবাজার নুরজাহান হোটেলের সামনে বাসটি থামালে স্থানীয় কয়েকজন দুর্বৃত্ত শিক্ষার্থীদের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে আসে এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে গালাগালি করতে থাকে। কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে আহত হোন। পরবর্তীতে তারা পুলিশকে ফোন দিলে সদর দক্ষিণ থানার পুলিশ এসে তিনজনকে তাৎক্ষণিক আটক করেন। এবং শিক্ষার্থীরা বাসের ড্রাইভার, হেলপার বাস ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। 

‎

‎পদুয়াবাজার নুরজাহান হোটেলের সামনে থেকে আটককৃত তিনজন হলেন, সদর দক্ষিণ থানার শ্রীবল্লভপুরের সাব্বির হোসেন (২৫), কচুয়া চৌমুহনীর নাজমুল হাসান (১৬), কাজীপাড়ার রবিউল ইসলাম (১৭)। ক্যাম্পাস থেকে আটককৃতরা হলেন বাস চালক আলমগীর (৩০), সুপারভাইজার মামুন (৩১)। 

‎

‎অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক স্বর্ণা মজুমদার বলেন, "আমাদের শিক্ষার্থী চেয়েছিলো, সে সিট থেকে উঠে গিয়ে যেন তার সিটটা ঠিক করে দেওয়া হয়। কিন্তু হেলপার সিট ঠিক করে দেওয়ার নাম করে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটা করেছে। সে এখন ট্রমাটাইজড অবস্থায় আছে। সে মামলার জন্য রাজি আছে, কোর্টে গিয়ে জবানবন্দি দিবে।" 

‎

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল হাকিম বলেন, "আমাদের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সাথে কি কি ঘটেছে তার প্রেক্ষিতে একটি লিখিতভাবে অভিযোগ দিবে। সেটার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বাদী হয়ে থানায় মামলা করা হবে।" 

‎

‎কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মুস্তাকিম বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, "প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন জন্য ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে প্রক্টরিয়াল বডি যে তথ্য উপস্থাপন করবে, সেই অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ঘটনায় ওই স্থানে (নুরজাহান হোটেলে) উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির  ঘটনার অভিযোগে তিনজন এবং ক্যাম্পাস থেকে দুইজনসহ পাঁচ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।" 

‎

‎

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


কুবির নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে পাঁচ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অর্থনীতি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে হেনস্তার অভিযোগে বাস চালক–হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ।

‎

‎শনিবার (২৪ জানুয়ারি) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মুস্তাকিম বিল্লাহ ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎

‎জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী থেকে তিশা প্লাটিনাম বাসে করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে নারী শিক্ষার্থীকে বাসের সিট ঠিক করে দিতে গিয়ে হেলপার উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন।

‎

‎পরবর্তীতে নারী শিক্ষার্থী তার বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী পদুয়াবাজার নুরজাহান হোটেলের সামনে বাসটি থামালে স্থানীয় কয়েকজন দুর্বৃত্ত শিক্ষার্থীদের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে আসে এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে গালাগালি করতে থাকে। কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে আহত হোন। পরবর্তীতে তারা পুলিশকে ফোন দিলে সদর দক্ষিণ থানার পুলিশ এসে তিনজনকে তাৎক্ষণিক আটক করেন। এবং শিক্ষার্থীরা বাসের ড্রাইভার, হেলপার বাস ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। 

‎

‎পদুয়াবাজার নুরজাহান হোটেলের সামনে থেকে আটককৃত তিনজন হলেন, সদর দক্ষিণ থানার শ্রীবল্লভপুরের সাব্বির হোসেন (২৫), কচুয়া চৌমুহনীর নাজমুল হাসান (১৬), কাজীপাড়ার রবিউল ইসলাম (১৭)। ক্যাম্পাস থেকে আটককৃতরা হলেন বাস চালক আলমগীর (৩০), সুপারভাইজার মামুন (৩১)। 

‎

‎অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক স্বর্ণা মজুমদার বলেন, "আমাদের শিক্ষার্থী চেয়েছিলো, সে সিট থেকে উঠে গিয়ে যেন তার সিটটা ঠিক করে দেওয়া হয়। কিন্তু হেলপার সিট ঠিক করে দেওয়ার নাম করে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটা করেছে। সে এখন ট্রমাটাইজড অবস্থায় আছে। সে মামলার জন্য রাজি আছে, কোর্টে গিয়ে জবানবন্দি দিবে।" 

‎

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল হাকিম বলেন, "আমাদের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সাথে কি কি ঘটেছে তার প্রেক্ষিতে একটি লিখিতভাবে অভিযোগ দিবে। সেটার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বাদী হয়ে থানায় মামলা করা হবে।" 

‎

‎কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মুস্তাকিম বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, "প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন জন্য ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে প্রক্টরিয়াল বডি যে তথ্য উপস্থাপন করবে, সেই অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ঘটনায় ওই স্থানে (নুরজাহান হোটেলে) উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির  ঘটনার অভিযোগে তিনজন এবং ক্যাম্পাস থেকে দুইজনসহ পাঁচ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।" 

‎

‎


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত