ক্যাম্পাস
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন স্থগিত করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ইসলামি ছাত্রশিবির মানববন্ধন করেছে। আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাদদেশে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি পূর্বনির্ধারিত শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও হাইকোর্টের নির্দেশে সেটি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে ইসলামি ছাত্রশিবির। বেলা ১টার মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া, এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ, ছাত্রশিবিরের আইন-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও চাকসুর জিএস সাইদ বিন হাবিব, চাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনিসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম ৫ আগস্ট পরবর্তী একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি তৈরি হবে। মনে করেছিলাম শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু আগের রেজিমের (শাসনামল) মতো ছাত্রদল আর বিএনপি সম্মিলিতভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার হনন করে যাচ্ছে। তারা সুস্থ রাজনীতির পথ বাদ দিয়ে অপরাজনীতির পথ বেছে নিয়েছে। গুজব তাদের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাইদ বিন হাবিব বলেন, একটি ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে ইসির সামনে মব সৃষ্টি করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার নজির বাংলাদেশে আর নেই। যারা ইসি ও আদালতকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছেন, ইতোপূর্বে ৫টি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা যেভাবে আপনাদের লালকার্ড দেখিয়েছে, সামনেও দেখাবে ইনশাল্লাহ। এবং এই লালকার্ডের মাধ্যমে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় করবে। তিনি আরো বলেন, শাকসু নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হতেই হবে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম রনি বলেন, ইসি ভবনের সামনে মব সৃষ্টি করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রদল। যারা শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করে কোট-কাচারির মাধ্যমে শাকসু নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে, তারা টিকবেনা।
বিএনপি বা কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ১৯৯০-৯১ সালে সরকার গঠন করার পরে তারা প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বন্ধ করেছিল। সেই নির্বাচনের যাত্রা শুরু হয়েছে আজ ৩৫ বছর পরে। তবে তারা সেটিও বন্ধ করে দিয়েছে। তবে আবারও তাদের একটি গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে তারা, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তা মনে করছে না। তারা যে জিনিসটি সবচেয়ে ভয় পায়, তার নাম হলো ছাত্রসংসদ নির্বাচন, বলেন ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন স্থগিত করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ইসলামি ছাত্রশিবির মানববন্ধন করেছে। আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাদদেশে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি পূর্বনির্ধারিত শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও হাইকোর্টের নির্দেশে সেটি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে ইসলামি ছাত্রশিবির। বেলা ১টার মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া, এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ, ছাত্রশিবিরের আইন-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও চাকসুর জিএস সাইদ বিন হাবিব, চাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনিসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম ৫ আগস্ট পরবর্তী একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি তৈরি হবে। মনে করেছিলাম শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু আগের রেজিমের (শাসনামল) মতো ছাত্রদল আর বিএনপি সম্মিলিতভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার হনন করে যাচ্ছে। তারা সুস্থ রাজনীতির পথ বাদ দিয়ে অপরাজনীতির পথ বেছে নিয়েছে। গুজব তাদের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাইদ বিন হাবিব বলেন, একটি ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে ইসির সামনে মব সৃষ্টি করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার নজির বাংলাদেশে আর নেই। যারা ইসি ও আদালতকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছেন, ইতোপূর্বে ৫টি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা যেভাবে আপনাদের লালকার্ড দেখিয়েছে, সামনেও দেখাবে ইনশাল্লাহ। এবং এই লালকার্ডের মাধ্যমে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় করবে। তিনি আরো বলেন, শাকসু নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হতেই হবে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম রনি বলেন, ইসি ভবনের সামনে মব সৃষ্টি করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রদল। যারা শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করে কোট-কাচারির মাধ্যমে শাকসু নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে, তারা টিকবেনা।
বিএনপি বা কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ১৯৯০-৯১ সালে সরকার গঠন করার পরে তারা প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বন্ধ করেছিল। সেই নির্বাচনের যাত্রা শুরু হয়েছে আজ ৩৫ বছর পরে। তবে তারা সেটিও বন্ধ করে দিয়েছে। তবে আবারও তাদের একটি গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে তারা, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তা মনে করছে না। তারা যে জিনিসটি সবচেয়ে ভয় পায়, তার নাম হলো ছাত্রসংসদ নির্বাচন, বলেন ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি।
