অপরাধ
রাজধানীর ভাটারা ও ওয়ারী এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) পরিচালিত পৃথক দুটি সফল অভিযানে ভেজাল মদ উৎপাদনকারী একটি চক্র এবং নতুন প্রজন্মের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাদক ‘কুশ’ উৎপাদনের একটি আধুনিক ল্যাবরেটরির সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদক ও উৎপাদন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ডিএনসির পরিচালক (অপারেশন) বশির আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
ডিএনসি জানায়, রাজধানীর ভাটারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ভেজাল মদ উৎপাদন ও সরবরাহকারী একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। অভিযানে ৭৯ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৬ ক্যান বিয়ার এবং ১৩২ লিটার ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যালসহ বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রিপন হিউবার্ট গমেজ (৪৮) ও আব্দুর রাজ্জাক (৪০) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিনে পার্শ্ববর্তী জোয়ার সাহারা এলাকায় চক্রটির মজুত ও সরবরাহকৃত আরও কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়। এ অভিযানে ডেনিস ডমিনিক পিরিছ (৩৭) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএনসি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে আধুনিক ‘কুশ’ উৎপাদন ল্যাবরেটরির সন্ধান পায়। এর আগে গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে বিদেশগামী পার্সেলের ভেতর লুকানো ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্তের একপর্যায়ে ভুয়া পরিচয় ব্যবহারকারী সুমেহরা তাসনিয়া ওরফে তাসিনা হাসান (২০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হলে, তার জিজ্ঞাসাবাদে ওয়ারীর ওই ল্যাবের তথ্য পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ওয়ারীর ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে কুশ গাছ ও বীজ, সদ্য সংগ্রহ করা কুশ (২০ গ্রাম), ক্যানাবিনয়েড রেজিন, আধুনিক চাষাবাদ সরঞ্জাম, ইয়াবা এবং বিভিন্ন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাজু শেখ (৩৯) ও বাসার তত্ত্বাবধায়কসহ মোট তিনজনকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আসামি করা হয়েছে।
ডিএনসি আরও জানায়, চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী মো. তৌসিফ হাসান (২২) বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় পলাতক রয়েছেন। তিনি বিদেশে বসেই ইন্টারনেট-নির্ভর প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাবের আলো, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং দেশে থাকা সহযোগীদের নিয়মিত নির্দেশনা দিতেন।
পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিএনসির এই কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর ভাটারা ও ওয়ারী এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) পরিচালিত পৃথক দুটি সফল অভিযানে ভেজাল মদ উৎপাদনকারী একটি চক্র এবং নতুন প্রজন্মের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাদক ‘কুশ’ উৎপাদনের একটি আধুনিক ল্যাবরেটরির সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদক ও উৎপাদন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ডিএনসির পরিচালক (অপারেশন) বশির আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
ডিএনসি জানায়, রাজধানীর ভাটারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ভেজাল মদ উৎপাদন ও সরবরাহকারী একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। অভিযানে ৭৯ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৬ ক্যান বিয়ার এবং ১৩২ লিটার ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যালসহ বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রিপন হিউবার্ট গমেজ (৪৮) ও আব্দুর রাজ্জাক (৪০) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিনে পার্শ্ববর্তী জোয়ার সাহারা এলাকায় চক্রটির মজুত ও সরবরাহকৃত আরও কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়। এ অভিযানে ডেনিস ডমিনিক পিরিছ (৩৭) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএনসি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে আধুনিক ‘কুশ’ উৎপাদন ল্যাবরেটরির সন্ধান পায়। এর আগে গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে বিদেশগামী পার্সেলের ভেতর লুকানো ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্তের একপর্যায়ে ভুয়া পরিচয় ব্যবহারকারী সুমেহরা তাসনিয়া ওরফে তাসিনা হাসান (২০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হলে, তার জিজ্ঞাসাবাদে ওয়ারীর ওই ল্যাবের তথ্য পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ওয়ারীর ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে কুশ গাছ ও বীজ, সদ্য সংগ্রহ করা কুশ (২০ গ্রাম), ক্যানাবিনয়েড রেজিন, আধুনিক চাষাবাদ সরঞ্জাম, ইয়াবা এবং বিভিন্ন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাজু শেখ (৩৯) ও বাসার তত্ত্বাবধায়কসহ মোট তিনজনকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আসামি করা হয়েছে।
ডিএনসি আরও জানায়, চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী মো. তৌসিফ হাসান (২২) বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় পলাতক রয়েছেন। তিনি বিদেশে বসেই ইন্টারনেট-নির্ভর প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাবের আলো, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং দেশে থাকা সহযোগীদের নিয়মিত নির্দেশনা দিতেন।
পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিএনসির এই কর্মকর্তা
