অপরাধ
স্থানীয় কৃষকেরা সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের গলায় কোমরের বেল্ট এবং উলের মাফলারজাতীয় কাপড় পেঁচানো ছিল।
প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় পাওয়া না গেলেও দুপুরের দিকে নিহতের মা সাহেদা খাতুন এটি তাঁর ছেলে মজনুর মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। নিহত মজনু আলমডাঙ্গার তিওরবিলা গ্রামের মৃত মণ্টুর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দুই বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন এবং বিবাহিত জীবনে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত মজনু এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চরমপন্থি নেতা হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানায় হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১২ সালে রায়সা গ্রামের কৃষক জামালকে অপহরণ ও হত্যার মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তিনি।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, মরদেহের গলায় বেল্ট পেঁচানো থাকায় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ (শুক্রবার) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের দুলাভাই লাল্টু বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
স্থানীয় কৃষকেরা সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের গলায় কোমরের বেল্ট এবং উলের মাফলারজাতীয় কাপড় পেঁচানো ছিল।
প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় পাওয়া না গেলেও দুপুরের দিকে নিহতের মা সাহেদা খাতুন এটি তাঁর ছেলে মজনুর মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। নিহত মজনু আলমডাঙ্গার তিওরবিলা গ্রামের মৃত মণ্টুর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দুই বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন এবং বিবাহিত জীবনে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত মজনু এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চরমপন্থি নেতা হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানায় হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১২ সালে রায়সা গ্রামের কৃষক জামালকে অপহরণ ও হত্যার মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তিনি।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, মরদেহের গলায় বেল্ট পেঁচানো থাকায় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ (শুক্রবার) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের দুলাভাই লাল্টু বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
