শৈত্য প্রবাহ
চিলমারীতে প্রায় ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে একটানা শৈত্যপ্রবাহের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কৃষকেরা জমিতে হাল-চাষ, গোবর সার সহ জমি প্রস্তুতিতেও ঘন কুয়াশায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারপরও থেমে নেই তারা। শুক্রবার সকালে চিলমারী উপজেলা সদরের অদূরেই আকন্দপাড়ার বওলার মাঠে সেচের ক্যানেল তৈরী কালীন কথা হয় কৃষক আশরাফুলের সাথে। তিনি জানান, প্রচন্ড শীতের ঠান্ডায় তারা আসন্ন ইরি-বোরো মৌসূমে ধান চাষের জন্য সেচের ক্যানেল তৈরী করছেন। তারা চায় এসময় যাতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যূৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকে। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আকন্দপাড়ার বিদ্যূৎ সংযোগটি দুই যুগেরও বেশি সময় পূর্বে সংযোগ দেওয়া হলেও বিদ্যূৎ সরবরাহ শুরু আগেই দুটি তারের নীচের একটি তার চুরি হয়ে যায়। এ অবস্থায় শত অনুরোধেও পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ একটি তারের উপরেই বিদ্যূৎ সঞ্চালন অব্যাহত রাখায় পানির পাম্প সহ বাড়ির ইলেকট্রোনিক্স জিনিষপত্র পুড়ে যাচ্ছে। সবুজ পাড়ার আজিজুল ইরি চাষের জন্য কোদাল দিয়ে জমি তৈরী ও সেচের ক্যানেল তৈরী করছিলেন। তিনি ও তার সাথে কাজ করা ছমর আলীও শীতের ভোগান্তির কথা তুলে কাজের অসুবিধার কথা ও চারা ধানের ক্ষতির কথা জানান। নাউয়ের ডাবীর কৃষক নাজমুল জানান, চারা ধান অনেকটাই হলুদ হয়ে গেছে। প্রচন্ড কুয়াশায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তারা কৃষি অফিস থেকে দেরীতে বীজধান সরবরাহের কথা উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে তদারকি করতে আসেননা বলে অভিযোগ করেন। চিলমারীর সর্বত্রই এখন ইরি চাষের প্রস্ততি এগিয়ে চলেছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও কৃষি অফিসের সব ধরনের সহযোগিতার জন্য কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট দাবী করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
চিলমারীতে প্রায় ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে একটানা শৈত্যপ্রবাহের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কৃষকেরা জমিতে হাল-চাষ, গোবর সার সহ জমি প্রস্তুতিতেও ঘন কুয়াশায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারপরও থেমে নেই তারা। শুক্রবার সকালে চিলমারী উপজেলা সদরের অদূরেই আকন্দপাড়ার বওলার মাঠে সেচের ক্যানেল তৈরী কালীন কথা হয় কৃষক আশরাফুলের সাথে। তিনি জানান, প্রচন্ড শীতের ঠান্ডায় তারা আসন্ন ইরি-বোরো মৌসূমে ধান চাষের জন্য সেচের ক্যানেল তৈরী করছেন। তারা চায় এসময় যাতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যূৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকে। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আকন্দপাড়ার বিদ্যূৎ সংযোগটি দুই যুগেরও বেশি সময় পূর্বে সংযোগ দেওয়া হলেও বিদ্যূৎ সরবরাহ শুরু আগেই দুটি তারের নীচের একটি তার চুরি হয়ে যায়। এ অবস্থায় শত অনুরোধেও পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ একটি তারের উপরেই বিদ্যূৎ সঞ্চালন অব্যাহত রাখায় পানির পাম্প সহ বাড়ির ইলেকট্রোনিক্স জিনিষপত্র পুড়ে যাচ্ছে। সবুজ পাড়ার আজিজুল ইরি চাষের জন্য কোদাল দিয়ে জমি তৈরী ও সেচের ক্যানেল তৈরী করছিলেন। তিনি ও তার সাথে কাজ করা ছমর আলীও শীতের ভোগান্তির কথা তুলে কাজের অসুবিধার কথা ও চারা ধানের ক্ষতির কথা জানান। নাউয়ের ডাবীর কৃষক নাজমুল জানান, চারা ধান অনেকটাই হলুদ হয়ে গেছে। প্রচন্ড কুয়াশায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তারা কৃষি অফিস থেকে দেরীতে বীজধান সরবরাহের কথা উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে তদারকি করতে আসেননা বলে অভিযোগ করেন। চিলমারীর সর্বত্রই এখন ইরি চাষের প্রস্ততি এগিয়ে চলেছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও কৃষি অফিসের সব ধরনের সহযোগিতার জন্য কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট দাবী করেছেন।
