ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘বি–২’ উপ–ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি-২’ উপ-ইউনিটের অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নকলের চেষ্টার সময় ধরা পড়েন তারা।
জানা গেছে, পরীক্ষা চলাকালীন ওএমআর শিট পরিবর্তন করে একজনের ওএমআর শিট অন্যজন ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। তারপর তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থীই রাজশাহীর আত্রাই আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাদের একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোহাম্মদ মুত্তালিব এবং অপরজন রাজশাহীর হাফিজুর রহমান। প্রাথমিকভাবে তাদের মুচলেকা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী বলেন, মূলত তারা একে অপরকে সহযোগিতার জন্য ওএমআর শিট পরিবর্তন করেছে। কক্ষ পরিদর্শকের দৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে খবর দিয়েছে এবং আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জানতে পারলাম, তারা একই বর্ষের এবং একই মাদ্রাসার ছাত্র।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে এনে তাদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে মুচলেকা নিয়েছি। তারা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো ইউনিটেও পরীক্ষা দিয়ে থাকে, তারা সে ইউনিটে ভর্তি হবার সুযোগ পাবেনা।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘বি–২’ উপ–ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি-২’ উপ-ইউনিটের অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নকলের চেষ্টার সময় ধরা পড়েন তারা।
জানা গেছে, পরীক্ষা চলাকালীন ওএমআর শিট পরিবর্তন করে একজনের ওএমআর শিট অন্যজন ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। তারপর তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থীই রাজশাহীর আত্রাই আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাদের একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোহাম্মদ মুত্তালিব এবং অপরজন রাজশাহীর হাফিজুর রহমান। প্রাথমিকভাবে তাদের মুচলেকা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী বলেন, মূলত তারা একে অপরকে সহযোগিতার জন্য ওএমআর শিট পরিবর্তন করেছে। কক্ষ পরিদর্শকের দৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে খবর দিয়েছে এবং আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জানতে পারলাম, তারা একই বর্ষের এবং একই মাদ্রাসার ছাত্র।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে এনে তাদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে মুচলেকা নিয়েছি। তারা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো ইউনিটেও পরীক্ষা দিয়ে থাকে, তারা সে ইউনিটে ভর্তি হবার সুযোগ পাবেনা।
