ক্যাম্পাসক্যাম্পাস

চবির ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনে ৩ শিক্ষার্থী, ক্ষুব্ধ উপাচার্য

চবির ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনে ৩ শিক্ষার্থী, ক্ষুব্ধ উপাচার্য
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে তিন শিক্ষার্থীকে বসিয়ে পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন হযবরল ঘটনা দেখে কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয়। গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শহিদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দর্শন বিভাগের একটি পরীক্ষাকক্ষে প্রতিটি আসনে তিনজন করে পরীক্ষার্থী বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন। বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ওই ভবনে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ সময় এক সিটে তিনজন করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন। এ সময় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইকবাল শাহীন খান বলেন, তিনজন পরীক্ষার্থীর জন্য ভিন্ন ভিন্ন সেট থাকে। আসন সংকটের কারণে এই অনুষদে সবসময়ই এভাবে পরীক্ষা হয়ে আসছে। 

এ বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান বলেন, সেট মিলিয়ে বসানোর প্রয়োজন কেন? জবাবে ডিন বলেন, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা হবে না। এ সময় উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রশ্ন তোলেন, আমাদের সিট ক্যাপাসিটির বেশি শিক্ষার্থী কেন নেওয়া হচ্ছে? উত্তরে ডিন বলেন, এটা আমি নিচ্ছি না, বিভাগগুলো চাহিদা দিচ্ছে। এ বিষয়ে কেন্দ্র পরিদর্শনে থাকা দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই পরীক্ষা দিচ্ছে। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় এক সিটে তিনজনকে বসাতে হচ্ছে।

কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, এখানে তিনটি সেট থাকে, একজনের সঙ্গে আরেকজনের প্রশ্ন মেলার কোনো সম্ভাবনা নেই। এটি অযথা রিপোর্ট। আমরা এভাবে না নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কেন্দ্র নিতে হবে। এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান বলেন, স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের গাদাগাদি করে বসানো যাবে না এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না হয়, প্রয়োজনে কেন্দ্র বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


চবির ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনে ৩ শিক্ষার্থী, ক্ষুব্ধ উপাচার্য

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে তিন শিক্ষার্থীকে বসিয়ে পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন হযবরল ঘটনা দেখে কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয়। গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শহিদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) এ ঘটনা ঘটে।


সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দর্শন বিভাগের একটি পরীক্ষাকক্ষে প্রতিটি আসনে তিনজন করে পরীক্ষার্থী বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন। বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ওই ভবনে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ সময় এক সিটে তিনজন করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন। এ সময় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইকবাল শাহীন খান বলেন, তিনজন পরীক্ষার্থীর জন্য ভিন্ন ভিন্ন সেট থাকে। আসন সংকটের কারণে এই অনুষদে সবসময়ই এভাবে পরীক্ষা হয়ে আসছে। 


এ বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান বলেন, সেট মিলিয়ে বসানোর প্রয়োজন কেন? জবাবে ডিন বলেন, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা হবে না। এ সময় উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রশ্ন তোলেন, আমাদের সিট ক্যাপাসিটির বেশি শিক্ষার্থী কেন নেওয়া হচ্ছে? উত্তরে ডিন বলেন, এটা আমি নিচ্ছি না, বিভাগগুলো চাহিদা দিচ্ছে। এ বিষয়ে কেন্দ্র পরিদর্শনে থাকা দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই পরীক্ষা দিচ্ছে। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় এক সিটে তিনজনকে বসাতে হচ্ছে।


কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, এখানে তিনটি সেট থাকে, একজনের সঙ্গে আরেকজনের প্রশ্ন মেলার কোনো সম্ভাবনা নেই। এটি অযথা রিপোর্ট। আমরা এভাবে না নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কেন্দ্র নিতে হবে। এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান বলেন, স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের গাদাগাদি করে বসানো যাবে না এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না হয়, প্রয়োজনে কেন্দ্র বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত