আইন-কানুন
ইংরেজি নববর্ষকে ঘিরে থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে খুলনা মহানগর এলাকায় একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। জননিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর পর্যন্ত মহানগরের কোথাও আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, উন্মুক্ত স্থানে পার্টি আয়োজন, উচ্চ শব্দে গান-বাজনা ও অশালীন কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ছাদসহ যেকোনো উন্মুক্ত স্থানে সমবেত হয়ে উদযাপনের ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় মাদক সেবন, নারী-পুরুষের অনৈতিক সমাবেশ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় অনুমোদনহীন অনুষ্ঠান আয়োজন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনা মহানগর পুলিশ (কেএমপি) সূত্রে জানা গেছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে চেকপোস্ট স্থাপন, টহল বৃদ্ধি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র ও আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
কেএমপি’র পক্ষ থেকে নগরবাসীকে শালীনতা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিকটস্থ থানায় দ্রুত জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
ইংরেজি নববর্ষকে ঘিরে থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে খুলনা মহানগর এলাকায় একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। জননিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর পর্যন্ত মহানগরের কোথাও আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, উন্মুক্ত স্থানে পার্টি আয়োজন, উচ্চ শব্দে গান-বাজনা ও অশালীন কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ছাদসহ যেকোনো উন্মুক্ত স্থানে সমবেত হয়ে উদযাপনের ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় মাদক সেবন, নারী-পুরুষের অনৈতিক সমাবেশ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় অনুমোদনহীন অনুষ্ঠান আয়োজন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনা মহানগর পুলিশ (কেএমপি) সূত্রে জানা গেছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে চেকপোস্ট স্থাপন, টহল বৃদ্ধি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র ও আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
কেএমপি’র পক্ষ থেকে নগরবাসীকে শালীনতা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিকটস্থ থানায় দ্রুত জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
