জাতীয়
সোমবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাউদপাড়া মোড় থেকে নেত্রকোনা রোড হয়ে পশ্চিম সাউদপাড়া সরকারি হালটের পাকা রাস্তা-সংলগ্ন এলাকায় শাহ আলম তালুকদার নামে এক ব্যক্তি একটি স্থাপনা নির্মাণ করছেন। পৌরবিধি না মেনে সরকারি হালটের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করায় রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সরকারি হালটটির মূল প্রস্থ প্রায় ১১ ফুট হলেও বর্তমানে কোনো কোনো অংশে তা কমে আনুমানিক ৮ থেকে সাড়ে ৮ ফুটে দাঁড়িয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘এখানে সরকারি হালটের রাস্তা রয়েছে, যার প্রস্থ প্রায় ১১ ফুট। বর্তমানে কোথাও কোথাও রাস্তার প্রস্থ ৮ থেকে সাড়ে ৮ ফুটে নেমে এসেছে। এতে গ্রামবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও সমস্যা হতে পারে।’
পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান রতন বলেন, ‘সরকারি হালটের রাস্তা দখল করে শাহ আলম তালুকদার নামে এক ব্যক্তি দোকান নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকাবাসীর চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাণাধীন স্থাপনার মালিক শাহ আলম তালুকদার বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করিনি। তবে ভবন নির্মাণের অনুমোদনের জন্য পৌর প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছি। বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। পরে পৌর কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি অবগত করেছে। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব।’
অভিযোগের পর পৌর উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক ওয়াহিদসহ পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা অনুমোদনহীন ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন এবং পৌরবিধি মেনে পরবর্তী কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশনা দেন।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়া কোনো নির্মাণকাজ করা হলে তা বন্ধ করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কাজ চালিয়ে গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাউদপাড়া মোড় থেকে নেত্রকোনা রোড হয়ে পশ্চিম সাউদপাড়া সরকারি হালটের পাকা রাস্তা-সংলগ্ন এলাকায় শাহ আলম তালুকদার নামে এক ব্যক্তি একটি স্থাপনা নির্মাণ করছেন। পৌরবিধি না মেনে সরকারি হালটের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করায় রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সরকারি হালটটির মূল প্রস্থ প্রায় ১১ ফুট হলেও বর্তমানে কোনো কোনো অংশে তা কমে আনুমানিক ৮ থেকে সাড়ে ৮ ফুটে দাঁড়িয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘এখানে সরকারি হালটের রাস্তা রয়েছে, যার প্রস্থ প্রায় ১১ ফুট। বর্তমানে কোথাও কোথাও রাস্তার প্রস্থ ৮ থেকে সাড়ে ৮ ফুটে নেমে এসেছে। এতে গ্রামবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও সমস্যা হতে পারে।’
পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান রতন বলেন, ‘সরকারি হালটের রাস্তা দখল করে শাহ আলম তালুকদার নামে এক ব্যক্তি দোকান নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকাবাসীর চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাণাধীন স্থাপনার মালিক শাহ আলম তালুকদার বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করিনি। তবে ভবন নির্মাণের অনুমোদনের জন্য পৌর প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছি। বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। পরে পৌর কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি অবগত করেছে। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব।’
অভিযোগের পর পৌর উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক ওয়াহিদসহ পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা অনুমোদনহীন ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন এবং পৌরবিধি মেনে পরবর্তী কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশনা দেন।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়া কোনো নির্মাণকাজ করা হলে তা বন্ধ করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কাজ চালিয়ে গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
