ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বিসিএসের প্রস্তুতি এবং ক্যারিয়ার গাইডলাইনের উদ্দেশ্যে ‘ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে চাকসু এবং ক্যারিয়ার এইড কোচিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এই ক্যারিয়ার গাইডলাইনমূলক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চাকসুর নির্বাচিত সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদার সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবির ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বরকত উল্লাহ, রাবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য ও অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ৩৮তম বিসিএস ক্যাডার (শিক্ষা) তাহের শওকত, ৪৩তম বিসিএস (অডিট এন্ড একাউন্টস) রোরহান উদ্দীন, জিএস সাইদ বিন হাবিব, চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, চাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান সোহান, নির্বাহী সম্পাদক আদনান শরীফ, সহ-ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতাসহ অন্যান্যরা।
অধ্যাপক ড. কাজী বরকত আলী বলেন, বিসিএস পরীক্ষা একটা যুদ্ধ। বিসিএস পরীক্ষাটা হয় মূলত বাদ দেওয়ার জন্য, কাউকে নেওয়ার জন্য নয়। যদি চাকরি পেতে চাও, তোমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। প্রতিটা সাবজেক্ট ও টপিক সিলেকশন করে বুঝে বুঝে এখনই ভবিষ্যতের পথরেখা তৈরি করে নাও। সর্বোপরি বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়ার বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একজন ক্যাডার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ হলো, আগামী দিনে রাষ্ট্র ও দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সুযোগ পাওয়া। কিন্তু সেই দায়িত্বের জায়গায় বসে যদি আমরা আমানতের খেয়ানত করি, নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করি কিংবা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করি, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের যাদের যে অধিকার, আমরা যদি সেই অধিকার তাদের বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে আমাদের দায়িত্ব পালনের সার্থকতা কোথায়? সাধারণ রিকশাচালক, দিনমজুর ও শ্রমিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ তাদের উপার্জনের অর্থ থেকে কর দেন। সেই করের টাকায় আমাদের পড়াশোনা ও প্রস্তুতির পেছনে রাষ্ট্র বিনিয়োগ করে। তাই ক্যাডার হওয়ার পর তাদের প্রতি আমাদের একটি দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই বিনিয়োগের প্রকৃত মূল্য তখনই দেওয়া সম্ভব, যখন আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রাষ্ট্রের মানুষের সেবা করব এবং নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।
বিষয় : শিক্ষার্থী

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বিসিএসের প্রস্তুতি এবং ক্যারিয়ার গাইডলাইনের উদ্দেশ্যে ‘ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে চাকসু এবং ক্যারিয়ার এইড কোচিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এই ক্যারিয়ার গাইডলাইনমূলক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চাকসুর নির্বাচিত সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদার সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবির ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বরকত উল্লাহ, রাবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য ও অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ৩৮তম বিসিএস ক্যাডার (শিক্ষা) তাহের শওকত, ৪৩তম বিসিএস (অডিট এন্ড একাউন্টস) রোরহান উদ্দীন, জিএস সাইদ বিন হাবিব, চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, চাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান সোহান, নির্বাহী সম্পাদক আদনান শরীফ, সহ-ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতাসহ অন্যান্যরা।
অধ্যাপক ড. কাজী বরকত আলী বলেন, বিসিএস পরীক্ষা একটা যুদ্ধ। বিসিএস পরীক্ষাটা হয় মূলত বাদ দেওয়ার জন্য, কাউকে নেওয়ার জন্য নয়। যদি চাকরি পেতে চাও, তোমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। প্রতিটা সাবজেক্ট ও টপিক সিলেকশন করে বুঝে বুঝে এখনই ভবিষ্যতের পথরেখা তৈরি করে নাও। সর্বোপরি বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়ার বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একজন ক্যাডার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ হলো, আগামী দিনে রাষ্ট্র ও দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সুযোগ পাওয়া। কিন্তু সেই দায়িত্বের জায়গায় বসে যদি আমরা আমানতের খেয়ানত করি, নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করি কিংবা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করি, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের যাদের যে অধিকার, আমরা যদি সেই অধিকার তাদের বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে আমাদের দায়িত্ব পালনের সার্থকতা কোথায়? সাধারণ রিকশাচালক, দিনমজুর ও শ্রমিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ তাদের উপার্জনের অর্থ থেকে কর দেন। সেই করের টাকায় আমাদের পড়াশোনা ও প্রস্তুতির পেছনে রাষ্ট্র বিনিয়োগ করে। তাই ক্যাডার হওয়ার পর তাদের প্রতি আমাদের একটি দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই বিনিয়োগের প্রকৃত মূল্য তখনই দেওয়া সম্ভব, যখন আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রাষ্ট্রের মানুষের সেবা করব এবং নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।
