ক্যাম্পাস
শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘South Asian Excellent Award-2026’ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর হোটেল থামেল পার্কের অডিটোরিয়ামে South Asian Social Cultural Forum এবং Dynamic Destination Nepal-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জানা যায়, সার্কভুক্ত ৮টি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলমকে এই পুরস্কার পান।
এদিকে, চলতি বছর তিনি ‘শেরে-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং ‘ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্মৃতি অ্যাওয়ার্ড’, নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম বলেন, “শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে কাজ করার স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একজন শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে আমি সবসময় চেষ্টা করি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও লেখালেখির মাধ্যমে শিক্ষার্থী, সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করতে। এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমার গবেষণা, প্রকাশনা ও লেখালেখির পথচলায় সহকর্মী, শিক্ষার্থী, পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা রয়েছে। তাই এই অর্জনকে আমি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখি না; এটি আমার বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার জন্যও আনন্দের বিষয়। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার চেষ্টা থাকবে।"
উল্লেখ্য, ড. মোরশেদুল আলম বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন খ্যাতিমান লেখক, গবেষক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। গবেষণা ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে ৫০টিরও বেশি গবেষণাপ্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্রিকায় তার প্রায় ৪০০টি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার রচিত ৫টি গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘South Asian Excellent Award-2026’ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর হোটেল থামেল পার্কের অডিটোরিয়ামে South Asian Social Cultural Forum এবং Dynamic Destination Nepal-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জানা যায়, সার্কভুক্ত ৮টি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলমকে এই পুরস্কার পান।
এদিকে, চলতি বছর তিনি ‘শেরে-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং ‘ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্মৃতি অ্যাওয়ার্ড’, নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম বলেন, “শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে কাজ করার স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একজন শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে আমি সবসময় চেষ্টা করি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও লেখালেখির মাধ্যমে শিক্ষার্থী, সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করতে। এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমার গবেষণা, প্রকাশনা ও লেখালেখির পথচলায় সহকর্মী, শিক্ষার্থী, পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা রয়েছে। তাই এই অর্জনকে আমি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখি না; এটি আমার বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার জন্যও আনন্দের বিষয়। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার চেষ্টা থাকবে।"
উল্লেখ্য, ড. মোরশেদুল আলম বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন খ্যাতিমান লেখক, গবেষক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। গবেষণা ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে ৫০টিরও বেশি গবেষণাপ্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্রিকায় তার প্রায় ৪০০টি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার রচিত ৫টি গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
