অপরাধ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে অভিযোগ তুলে নেয়ার প্রলোভনে অজ্ঞাত স্থানে ডেকে নিয়ে গত রবিবার ভূক্তভোগিকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে ধারন করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়| উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে গুটি কয়েক সংবাদ কর্মী নিজেদের দীর্ঘদিনের অপরাধ ঢাকতে ভূক্তভোগীকে ব্লাকমেইল করে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতে অডিও রেকর্ডের শেষ অংশ কেটে দিয়ে ভূক্তভোগিকে বিপদে ফেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করার বিষযটি নিয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও ঐ সকল কথিত সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইমে মামলা না হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে|
জানা গেছে, চিলমারীতে পি,আই,ও অফিসের কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ১লক্ষ টাকা দাবি করে নগদ ৩০ হাজার টাকা নেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে একটি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সংঘবদ্ধ সংবাদকর্মী বিষয়টিকে বিভিন্ন ভাবে ধামাচাপা দিতে মড়িয়া হয়ে উঠে| ফলে তারা প্রথমে ভূক্তভোগিকে দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আবারও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ৩০ হাজার টাকা নগদ গ্রহন করার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় দুষ্ট সংবাদকর্মী চক্রটি নতুন করে ফন্দি ও কৌশল আটতে থাকে| তাই তারা ভূক্ত ভোগি কার্য সহকারী হুমায়ুন কবিরকে অজ্ঞাত স্থানে ডেকে নিয়ে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ তুলে নেয়ার মিথ্যা আশ্বাসের প্রেক্ষিতে গোপনে ভিডিও ধারন করে নিজেদেরকে বাচানোর চেষ্টা চালান| চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা মৌজায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলমান কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইজন সংবাদকর্মী এস এম রাফি ও ফয়সাল আহম্মেদ রকি উক্ত অফিসের কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরের নিকট এক লক্ষ টাকা দাবি করেন| দাবিকৃত টাকা না পেলে প্রকল্পের অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে| উপায়ান্তর না পেয়ে কার্যসহকারী হুমায়ুন কবির সংবাদ প্রকাশের না করার জন্য ৩০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করতে বাধ্য হন| টাকা নিয়েও সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গালি-গালাজ করেন এবং বিভিন্ন জায়গায় বিচার দেন| এরই এক পর্যায়ে প্রেসক্লাব চিলমারীর কয়েকজন সংবাদ কর্মীকে রনি হোটেলে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে কথাগুলো প্রকাশকরেন| তার বক্তব্যের ধারন করা অডিওটির শেষের অংশ কেটে দিয়ে প্রথম অংশ উপস্থাপন করে শুধু মাত্র হুমকির বিষয় সামনে এনে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়| মুল ঘটনা আরাল করে সাধারন ডাইরি করায় অভিযোগকারী সংবাদকর্মীকে সাইবার ক্রাইম আওতায় এনে আইনের মুখোমুখি করার দাবী উঠেছে|
অপরদিকে কুড়িগ্রামের অজ্ঞাত স্থানে ভূক্তভোগি হুমায়ুন কবিরকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে তাদেরই শেখানো বুলি দিযে হাতজোড় করে বক্তব্য প্রদানে বাধ্য করে গোপনে ভিডিও ধারন করা হয়| উক্ত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন আইডি থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করা হয| এই উদ্দেশ্য প্রনোদিত, উস্কানীমূলক ঘটনার সাথে চিলমারী উপজেলার গুটিকয়েক ভূইফোঁড় কথিত হলুদ সাংবাদিক জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে| দীর্ঘ আওয়ামী শাসন আমল থেকে আজ অবধি সাধারন মানুষ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অফিসের কর্মকঁর্তা-কর্মচারীবৃন্দক এই চক্রের ব্লাকমেইলিং এর হাত থেকে কেউ রক্ষা পায়নি| তাদের এ ধরনের কর্মকান্ডে উপজেলার বিভিন্ন উন্নযনমূলক কাজে বাধা, বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছে বলে সচেতন মহল ক্ষোভ জানিয়েছেন| ফলে অডিও রেকর্ডের বাকী অংশ প্রকাশ পেলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে বলে অনেক ভূক্ত ভোগী ফেসবুক আইডিতে জোড়ালো মন্তব্য করেন| চিলমারীতে ফ্যাসিষ্ট আমলের দুষ্ট চক্রের সংবাদ কর্মীরা একটি মহলের সহযোগিতায় কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরকে কাছ থেকে টাকা নেয়া সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে ম্যানেজকরে অজ্ঞাত জায়গায় তাকে চাপ প্রয়োগ করে ক্ষমা চাওয়ার একটি নাকট মঞ্চস্ত করেন|ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টির ভিডিও দেখলে মনে হয় উদর পিন্ডি বুদোর ঘাঁড়ে চাপানোর চেষ্টা মাত্র| সচেতন মহলের দাবী প্রকৃত ঘটনাটির অডিওর সম্পুর্ন অংশটি প্রকাশের প্রশ্ন উঠে| এব্যাপারে চিলমারী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার জানান, প্রথম অংশ দিয়ে জি,ডি করা হয়েছে,পরের অংশ অডিও পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে|

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে অভিযোগ তুলে নেয়ার প্রলোভনে অজ্ঞাত স্থানে ডেকে নিয়ে গত রবিবার ভূক্তভোগিকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে ধারন করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়| উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে গুটি কয়েক সংবাদ কর্মী নিজেদের দীর্ঘদিনের অপরাধ ঢাকতে ভূক্তভোগীকে ব্লাকমেইল করে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতে অডিও রেকর্ডের শেষ অংশ কেটে দিয়ে ভূক্তভোগিকে বিপদে ফেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করার বিষযটি নিয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও ঐ সকল কথিত সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইমে মামলা না হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে|
জানা গেছে, চিলমারীতে পি,আই,ও অফিসের কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ১লক্ষ টাকা দাবি করে নগদ ৩০ হাজার টাকা নেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে একটি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সংঘবদ্ধ সংবাদকর্মী বিষয়টিকে বিভিন্ন ভাবে ধামাচাপা দিতে মড়িয়া হয়ে উঠে| ফলে তারা প্রথমে ভূক্তভোগিকে দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আবারও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ৩০ হাজার টাকা নগদ গ্রহন করার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় দুষ্ট সংবাদকর্মী চক্রটি নতুন করে ফন্দি ও কৌশল আটতে থাকে| তাই তারা ভূক্ত ভোগি কার্য সহকারী হুমায়ুন কবিরকে অজ্ঞাত স্থানে ডেকে নিয়ে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ তুলে নেয়ার মিথ্যা আশ্বাসের প্রেক্ষিতে গোপনে ভিডিও ধারন করে নিজেদেরকে বাচানোর চেষ্টা চালান| চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা মৌজায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলমান কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইজন সংবাদকর্মী এস এম রাফি ও ফয়সাল আহম্মেদ রকি উক্ত অফিসের কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরের নিকট এক লক্ষ টাকা দাবি করেন| দাবিকৃত টাকা না পেলে প্রকল্পের অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে| উপায়ান্তর না পেয়ে কার্যসহকারী হুমায়ুন কবির সংবাদ প্রকাশের না করার জন্য ৩০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করতে বাধ্য হন| টাকা নিয়েও সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গালি-গালাজ করেন এবং বিভিন্ন জায়গায় বিচার দেন| এরই এক পর্যায়ে প্রেসক্লাব চিলমারীর কয়েকজন সংবাদ কর্মীকে রনি হোটেলে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে কথাগুলো প্রকাশকরেন| তার বক্তব্যের ধারন করা অডিওটির শেষের অংশ কেটে দিয়ে প্রথম অংশ উপস্থাপন করে শুধু মাত্র হুমকির বিষয় সামনে এনে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়| মুল ঘটনা আরাল করে সাধারন ডাইরি করায় অভিযোগকারী সংবাদকর্মীকে সাইবার ক্রাইম আওতায় এনে আইনের মুখোমুখি করার দাবী উঠেছে|
অপরদিকে কুড়িগ্রামের অজ্ঞাত স্থানে ভূক্তভোগি হুমায়ুন কবিরকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে তাদেরই শেখানো বুলি দিযে হাতজোড় করে বক্তব্য প্রদানে বাধ্য করে গোপনে ভিডিও ধারন করা হয়| উক্ত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন আইডি থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করা হয| এই উদ্দেশ্য প্রনোদিত, উস্কানীমূলক ঘটনার সাথে চিলমারী উপজেলার গুটিকয়েক ভূইফোঁড় কথিত হলুদ সাংবাদিক জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে| দীর্ঘ আওয়ামী শাসন আমল থেকে আজ অবধি সাধারন মানুষ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অফিসের কর্মকঁর্তা-কর্মচারীবৃন্দক এই চক্রের ব্লাকমেইলিং এর হাত থেকে কেউ রক্ষা পায়নি| তাদের এ ধরনের কর্মকান্ডে উপজেলার বিভিন্ন উন্নযনমূলক কাজে বাধা, বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছে বলে সচেতন মহল ক্ষোভ জানিয়েছেন| ফলে অডিও রেকর্ডের বাকী অংশ প্রকাশ পেলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে বলে অনেক ভূক্ত ভোগী ফেসবুক আইডিতে জোড়ালো মন্তব্য করেন| চিলমারীতে ফ্যাসিষ্ট আমলের দুষ্ট চক্রের সংবাদ কর্মীরা একটি মহলের সহযোগিতায় কার্যসহকারী হুমায়ুন কবিরকে কাছ থেকে টাকা নেয়া সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে ম্যানেজকরে অজ্ঞাত জায়গায় তাকে চাপ প্রয়োগ করে ক্ষমা চাওয়ার একটি নাকট মঞ্চস্ত করেন|ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টির ভিডিও দেখলে মনে হয় উদর পিন্ডি বুদোর ঘাঁড়ে চাপানোর চেষ্টা মাত্র| সচেতন মহলের দাবী প্রকৃত ঘটনাটির অডিওর সম্পুর্ন অংশটি প্রকাশের প্রশ্ন উঠে| এব্যাপারে চিলমারী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার জানান, প্রথম অংশ দিয়ে জি,ডি করা হয়েছে,পরের অংশ অডিও পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে|
