মাদক
মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জুবের আলম কবির রূপকের আহ্বানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক এখন শুধু ব্যক্তির জীবন নয়, পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। মাদকের সহজলভ্যতা ও তরুণদের মধ্যে এর বিস্তার রোধ করা না গেলে একটি প্রজন্মের সম্ভাবনা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরা হয়—“মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান, প্রতিরোধেই সমাধান”, “পরিবার, সমাজ ও দেশ বাঁচাতে, মাদক রুখতে হবে একসাথে” এবং “মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন।”
শিক্ষকদের এই উদ্যোগকে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের মাদকমুক্ত ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সমাবেশ থেকে মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জুবের আলম কবির রূপকের আহ্বানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক এখন শুধু ব্যক্তির জীবন নয়, পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। মাদকের সহজলভ্যতা ও তরুণদের মধ্যে এর বিস্তার রোধ করা না গেলে একটি প্রজন্মের সম্ভাবনা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরা হয়—“মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান, প্রতিরোধেই সমাধান”, “পরিবার, সমাজ ও দেশ বাঁচাতে, মাদক রুখতে হবে একসাথে” এবং “মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন।”
শিক্ষকদের এই উদ্যোগকে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের মাদকমুক্ত ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সমাবেশ থেকে মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
