কৃষি
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন এবং ১ টি পৌরসভার কৃষকের মাঝে মুখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আউশ ধান ( বর্ষালী)'র লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭১৩২(সাত হাজার এক শত বত্রিশ) হেক্টর জমি, এর মধ্যে অর্জন হয়েছে ৬৯৮২( ছয় হাজার নয় শত বিরাশি) হেক্টর জমি। তবে আবাদ কম হলেও ফলন ভালো হয়েছে বলে মনে করেছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের কৃষক হাফিজের রহমান বলেন, সরকারি প্রণোদনা আউশ ধান (বর্ষালী) চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে। কৃষি অফিসের মাধ্যমে বীজ সহায়তা দেওয়ায় আমার ফসল দেখে আমার প্রতিবেশী অনেকেই আউশ ধান (বর্ষালী) করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
কৃষক হযরত আলী বলেন, এ বছর বীজতলা থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত তেমন কোন বৃষ্টিপাত হয়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজার রহমানের দিকনির্দেশনা কাজে লাগিয়ে আউশের (বর্ষালী) আবাদ সম্পূর্ণ করেছি, আশারতুলনায় ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ভালোভাবে ধান কেটে রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতে পারছি। অন্য ধানের চেয়ে আউশ ধান চাষে লাভ বেশি। বিগা প্রতি আবাদে খরচ হয়েছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা। এ উপজেলায় মোট ৩২৫০ (তিন হাজার দুই শত পঞ্চাশ) জন কৃষককে প্রণোদনার ধান বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রণোদনার কারনে আউশ (বর্ষালী) ধান চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষকেরা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন এবং ১ টি পৌরসভার কৃষকের মাঝে মুখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আউশ ধান ( বর্ষালী)'র লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭১৩২(সাত হাজার এক শত বত্রিশ) হেক্টর জমি, এর মধ্যে অর্জন হয়েছে ৬৯৮২( ছয় হাজার নয় শত বিরাশি) হেক্টর জমি। তবে আবাদ কম হলেও ফলন ভালো হয়েছে বলে মনে করেছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের কৃষক হাফিজের রহমান বলেন, সরকারি প্রণোদনা আউশ ধান (বর্ষালী) চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে। কৃষি অফিসের মাধ্যমে বীজ সহায়তা দেওয়ায় আমার ফসল দেখে আমার প্রতিবেশী অনেকেই আউশ ধান (বর্ষালী) করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
কৃষক হযরত আলী বলেন, এ বছর বীজতলা থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত তেমন কোন বৃষ্টিপাত হয়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজার রহমানের দিকনির্দেশনা কাজে লাগিয়ে আউশের (বর্ষালী) আবাদ সম্পূর্ণ করেছি, আশারতুলনায় ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ভালোভাবে ধান কেটে রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতে পারছি। অন্য ধানের চেয়ে আউশ ধান চাষে লাভ বেশি। বিগা প্রতি আবাদে খরচ হয়েছে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা। এ উপজেলায় মোট ৩২৫০ (তিন হাজার দুই শত পঞ্চাশ) জন কৃষককে প্রণোদনার ধান বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রণোদনার কারনে আউশ (বর্ষালী) ধান চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষকেরা।
