অপরাধঅপরাধ

লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর ও শ্বাসরোধের অভিযোগ

লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর ও শ্বাসরোধের অভিযোগ
লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর

 লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর ও শ্বাসরোধের অভিযোগ l

লালমনিরহাটে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় সাংবাদিক মো. রাসেল হককে মা'রধর, গলা চেপে শ্বা'সরোধ করে হ'ত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নেতা ও তার ছেলেসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।


অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত মো. রশিদুল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে মো. শামীম মিয়া (২৬) দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক রাসেল হকের কাছে বিভিন্ন সময় ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। টাকা না দিলে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না, হাত-পা ভে'ঙে দেওয়া এবং মিথ্যা মা'মলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


ভুক্তভোগী রাসেল হক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক এবং প্রেসক্লাব, লালমনিরহাটের সদস্য।


লিখিত অভিযোগে রাসেল হক উল্লেখ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দুটি মা'মলা করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এরপরও চাঁদার দাবিতে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ তার।


অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ আগস্ট সংবাদ সংগ্রহ শেষে বিকেল ৩টার দিকে সহকর্মী দূর্জয় চন্দ্র রায় ও সাধন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে লালমনিরহাট রেলওয়ে মুক্তমঞ্চ এলাকায় গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন রাসেল। এ সময় ৪-৫টি মোটরসাইকেলে করে অভিযুক্তরা সেখানে গিয়ে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন।


একপর্যায়ে রশিদুল ইসলাম তার হাত এবং শামীম মিয়া তার শার্টের কলার ধরে ৭৫ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ও তাদের সঙ্গে থাকা অন্যরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।


রাসেলের অভিযোগ, মা'রধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে রশিদুল ইসলাম তার বুকের ওপর চেপে বসে দুই হাত চেপে ধরেন। তখন শামীম মিয়া দুই হাত দিয়ে তার গলা চেপে ধরে শ্বা'সরোধ করে হ'ত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।


পরে অভিযুক্তরা আবারও তার হাত-পা ভে'ঙে দেওয়ার হু'মকি দেন বলে অভিযোগ করেন রাসেল। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় লালমনিরহাট থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর ও শ্বাসরোধের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

 লালমনিরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিককে মা'রধর ও শ্বাসরোধের অভিযোগ l

লালমনিরহাটে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় সাংবাদিক মো. রাসেল হককে মা'রধর, গলা চেপে শ্বা'সরোধ করে হ'ত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নেতা ও তার ছেলেসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।


অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত মো. রশিদুল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে মো. শামীম মিয়া (২৬) দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক রাসেল হকের কাছে বিভিন্ন সময় ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। টাকা না দিলে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না, হাত-পা ভে'ঙে দেওয়া এবং মিথ্যা মা'মলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


ভুক্তভোগী রাসেল হক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক এবং প্রেসক্লাব, লালমনিরহাটের সদস্য।


লিখিত অভিযোগে রাসেল হক উল্লেখ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দুটি মা'মলা করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এরপরও চাঁদার দাবিতে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ তার।


অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ আগস্ট সংবাদ সংগ্রহ শেষে বিকেল ৩টার দিকে সহকর্মী দূর্জয় চন্দ্র রায় ও সাধন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে লালমনিরহাট রেলওয়ে মুক্তমঞ্চ এলাকায় গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন রাসেল। এ সময় ৪-৫টি মোটরসাইকেলে করে অভিযুক্তরা সেখানে গিয়ে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন।


একপর্যায়ে রশিদুল ইসলাম তার হাত এবং শামীম মিয়া তার শার্টের কলার ধরে ৭৫ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ও তাদের সঙ্গে থাকা অন্যরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।


রাসেলের অভিযোগ, মা'রধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে রশিদুল ইসলাম তার বুকের ওপর চেপে বসে দুই হাত চেপে ধরেন। তখন শামীম মিয়া দুই হাত দিয়ে তার গলা চেপে ধরে শ্বা'সরোধ করে হ'ত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।


পরে অভিযুক্তরা আবারও তার হাত-পা ভে'ঙে দেওয়ার হু'মকি দেন বলে অভিযোগ করেন রাসেল। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় লালমনিরহাট থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত