অপরাধ
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ছোট পাথাইলহাট গ্রামে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে গত (২২ মে) দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর সংঘর্ষ, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয় । ঘটনায় অন্তত একজন নারী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে । পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মামলা গ্রহণ করা হয়েছে ।
এছাড়াও হামলা ও ভাংচুরের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ব্যক্তিগত বিরোধ চলছিল । এর আগেও কয়েকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও এবার তা বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটনার পর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ! অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তাহীনতায় দোকানপাট আগেভাগেই বন্ধ করে দেন ।
এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি । প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে !!স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ছোট পাথাইলহাট গ্রামে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে গত (২২ মে) দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর সংঘর্ষ, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয় । ঘটনায় অন্তত একজন নারী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে । পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মামলা গ্রহণ করা হয়েছে ।
এছাড়াও হামলা ও ভাংচুরের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ব্যক্তিগত বিরোধ চলছিল । এর আগেও কয়েকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও এবার তা বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটনার পর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ! অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তাহীনতায় দোকানপাট আগেভাগেই বন্ধ করে দেন ।
এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি । প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে !!স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে
