ক্যাম্পাস
ভোট দিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য আবেদন করেও পরিবহন না পেয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফলে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অনেক শিক্ষার্থীকে দূর-দূরান্তে নিজ জেলায় যেতে হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করে কোনো বাস বা পরিবহন ব্যবস্থার ঘোষণা পাইনি। এতে ভোট দেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাস দিয়ে বাড়ি ফেরার সুযোগ পেলে আমরা কেন পাবোনা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান বলেন, যেখানে সারাদেশে নির্বাচনের আমেজ চলছে, কিন্তু সেখানে আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে যেতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আমরা কয়েকদিন যাবত অনলাইন অফলাইনে যোগাযোগ করছি, কিন্তু তারা আমাদের কোনো ধরণের সহযোগিতা করেনি। ভোট দিতে বাড়ি ফিরতে শিক্ষার্থীদের জন্য গাড়ি না দেওয়া পর্যন্ত মেইনগেট বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) কামাল হোসেন, উপাচার্য ড. ইয়াহইয়া আখতারের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া যাবেনা বলে ভিসি জানিয়ে দিয়েছেন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোট দিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য আবেদন করেও পরিবহন না পেয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফলে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অনেক শিক্ষার্থীকে দূর-দূরান্তে নিজ জেলায় যেতে হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করে কোনো বাস বা পরিবহন ব্যবস্থার ঘোষণা পাইনি। এতে ভোট দেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাস দিয়ে বাড়ি ফেরার সুযোগ পেলে আমরা কেন পাবোনা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান বলেন, যেখানে সারাদেশে নির্বাচনের আমেজ চলছে, কিন্তু সেখানে আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে যেতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আমরা কয়েকদিন যাবত অনলাইন অফলাইনে যোগাযোগ করছি, কিন্তু তারা আমাদের কোনো ধরণের সহযোগিতা করেনি। ভোট দিতে বাড়ি ফিরতে শিক্ষার্থীদের জন্য গাড়ি না দেওয়া পর্যন্ত মেইনগেট বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) কামাল হোসেন, উপাচার্য ড. ইয়াহইয়া আখতারের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া যাবেনা বলে ভিসি জানিয়ে দিয়েছেন।
