আইন-আদালতআইন-আদালত

লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ&039ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ&039ত্যুদণ্ড

লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ&039ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ&039ত্যুদণ্ড
লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ'ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ'ত্যুদণ্ড

লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ'ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ'ত্যুদণ্ড
বাবা-মায়ের পাঁচ বছর করে কা'রাদণ্ড, ছয় কার্যদিবসেই চা'ঞ্চল্যকর মা'মলার রায়


লালমনিরহাটের বহুল আলোচিত শিশু নন্দিনী হ'ত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃ'ত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানীকে পাঁচ বছর করে কা'রাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কা'রাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বিধান চন্দ্র, তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃ'ত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নন্দিনীর স্বজনরা। তারা এ রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে চাঞ্চল্যকর এ হ'ত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

নিহত নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন বলেন, আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট। প্রধান আসামির মৃ'ত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হোক- এটাই তাদের প্রত্যাশা।

গত ১৬ জুন বিকেল থেকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাত বছর বয়সী শিশু নন্দিনী। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে মাটি অস্বাভাবিকভাবে নরম দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হলে সেখানে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় নন্দিনীর ম'রদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির ম'রদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চরম উ'ত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় বিধান চন্দ্রকে আ'টক করতে গেলে বি'ক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে আ'গুন ধরিয়ে দেয়।

এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সং'ঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান। এ সময় বি'ক্ষুব্ধ জনতা তাদের বহরে হামলা চালিয়ে গাড়ি ভা'ঙচুর করে। সং'ঘর্ষে অন্তত ১৮ পুলিশ সদস্য আ'হত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
চা'ঞ্চল্যকর এ হ'ত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, আদালতের দেওয়া রায় দ্রুত কার্যকর করা হবে।

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ&039ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ&039ত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটে আলোচিত শিশু নন্দিনী হ'ত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃ'ত্যুদণ্ড
বাবা-মায়ের পাঁচ বছর করে কা'রাদণ্ড, ছয় কার্যদিবসেই চা'ঞ্চল্যকর মা'মলার রায়


লালমনিরহাটের বহুল আলোচিত শিশু নন্দিনী হ'ত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃ'ত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানীকে পাঁচ বছর করে কা'রাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কা'রাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বিধান চন্দ্র, তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃ'ত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নন্দিনীর স্বজনরা। তারা এ রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে চাঞ্চল্যকর এ হ'ত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

নিহত নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন বলেন, আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট। প্রধান আসামির মৃ'ত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হোক- এটাই তাদের প্রত্যাশা।

গত ১৬ জুন বিকেল থেকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাত বছর বয়সী শিশু নন্দিনী। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে মাটি অস্বাভাবিকভাবে নরম দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হলে সেখানে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় নন্দিনীর ম'রদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির ম'রদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চরম উ'ত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় বিধান চন্দ্রকে আ'টক করতে গেলে বি'ক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে আ'গুন ধরিয়ে দেয়।

এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সং'ঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান। এ সময় বি'ক্ষুব্ধ জনতা তাদের বহরে হামলা চালিয়ে গাড়ি ভা'ঙচুর করে। সং'ঘর্ষে অন্তত ১৮ পুলিশ সদস্য আ'হত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
চা'ঞ্চল্যকর এ হ'ত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, আদালতের দেওয়া রায় দ্রুত কার্যকর করা হবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত