ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) হলে একটা ফ্যাশন হয়েছে হাউস টিউটর। হাউস টিউটর মানে হাউসে থাকবেন এবং টিউটরশিপ করবেন। টিউটরশীপ মানে স্টুডেন্টদের ওয়েলফেয়ারে কাজ করবেন। আজকাল হাউস টিউটরা হলে আসে না, তারা অনেক বেশি হল বিমুখ। তাদের থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা কোনো সেবা পায় না।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নারী হলগুলোতে চাকসু কর্তৃক চাকুরির প্রস্তুতিমূলক বই প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এমন মন্তব্য করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান।
তিনি আরো বলেন, গত পরশুদিন (১৬ আগস্ট) এটি নিয়ে হলের প্রভোস্টবৃন্দের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। তাহলে আমরা কোনো হাউস টিউটরকে এক্সটেনশন দিবোনা, হাউস টিউটরও রাখবো না, প্রয়োজনে আমি পুরো সেট চেইঞ্জ করে ফেলব। কারণ, যদি হাউস টিউটররা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোনো কাজে না আসে, তাহলে ওই হাউস টিউটর থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। এটা আমাদের ক্লিয়ার মেসেজ।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীরা যেন তাদের মতামত ও অধিকার স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারে। আমাদের মধ্যে যে মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে, তা অটুট রাখতে আমরা কাজ করে যাব। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
বই প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সফিকুল ইসলাম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ইসমত আরা। চাকসু জিএস সাইদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা, সহ-ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতাসহ চাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, ৫টি নারী হল ছাত্রসংসদের প্রতিনিধিসহ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) হলে একটা ফ্যাশন হয়েছে হাউস টিউটর। হাউস টিউটর মানে হাউসে থাকবেন এবং টিউটরশিপ করবেন। টিউটরশীপ মানে স্টুডেন্টদের ওয়েলফেয়ারে কাজ করবেন। আজকাল হাউস টিউটরা হলে আসে না, তারা অনেক বেশি হল বিমুখ। তাদের থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা কোনো সেবা পায় না।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নারী হলগুলোতে চাকসু কর্তৃক চাকুরির প্রস্তুতিমূলক বই প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এমন মন্তব্য করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান।
তিনি আরো বলেন, গত পরশুদিন (১৬ আগস্ট) এটি নিয়ে হলের প্রভোস্টবৃন্দের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। তাহলে আমরা কোনো হাউস টিউটরকে এক্সটেনশন দিবোনা, হাউস টিউটরও রাখবো না, প্রয়োজনে আমি পুরো সেট চেইঞ্জ করে ফেলব। কারণ, যদি হাউস টিউটররা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোনো কাজে না আসে, তাহলে ওই হাউস টিউটর থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। এটা আমাদের ক্লিয়ার মেসেজ।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীরা যেন তাদের মতামত ও অধিকার স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারে। আমাদের মধ্যে যে মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে, তা অটুট রাখতে আমরা কাজ করে যাব। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
বই প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সফিকুল ইসলাম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ইসমত আরা। চাকসু জিএস সাইদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা, সহ-ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতাসহ চাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, ৫টি নারী হল ছাত্রসংসদের প্রতিনিধিসহ শিক্ষার্থীরা।
