ক্যাম্পাস
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে কুবি শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে হলের ৩য় তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ জনি আলম, ছাত্র পরামর্শক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও সদস্য সচিব আবুল বাশার। এছাড়াও আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন,'লেখাপড়ার পাশাপাশি মন-মেজাজ ভালো রাখতে এবং মানসিক বিকাশের জন্য আমাদের মাঝে মাঝে কালচারাল প্রোগ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। সেই চিন্তা থেকেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আজকের এই আয়োজন করেছে। ইতঃপূর্বে আমরা সফলভাবে একটি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছি। আজকের এই শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের পর ক্রমান্বয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং আমাদের বোনদের দুটি হলেও এই ধরনের আয়োজন করা হবে। আগামী দিনে শিক্ষার্থীদের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজ ও দাবিদাওয়ায় আমরা ছাত্রদল সবসময় তোমাদের পাশে থাকব।'
ছাত্র পরামর্শক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, 'ছাত্রদের সার্বিক বিকাশে আমি সাংস্কৃতিক চর্চাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মনন ও চিন্তাভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সাংস্কৃতিক পরিবেশের ভূমিকা অপরিসীম। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের মানসিক কষ্ট বা ডিপ্রেশন বন্ধুদের সাথে প্রকাশ করতে পারে, যা মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে ওষুধের মতো কাজ করে।
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ড. মো. জনি আলম বলেন, 'পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও দক্ষতা বিকাশে এক্সট্রা-কারিকুলার কার্যক্রমের প্রয়োজন রয়েছে। ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করে।'
তিনি আরও বলেন, 'বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলাসহ সব ধরনের গঠনমূলক কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ, এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রেও কাজে আসে।'

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে কুবি শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে হলের ৩য় তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ জনি আলম, ছাত্র পরামর্শক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও সদস্য সচিব আবুল বাশার। এছাড়াও আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন,'লেখাপড়ার পাশাপাশি মন-মেজাজ ভালো রাখতে এবং মানসিক বিকাশের জন্য আমাদের মাঝে মাঝে কালচারাল প্রোগ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। সেই চিন্তা থেকেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আজকের এই আয়োজন করেছে। ইতঃপূর্বে আমরা সফলভাবে একটি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছি। আজকের এই শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের পর ক্রমান্বয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং আমাদের বোনদের দুটি হলেও এই ধরনের আয়োজন করা হবে। আগামী দিনে শিক্ষার্থীদের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজ ও দাবিদাওয়ায় আমরা ছাত্রদল সবসময় তোমাদের পাশে থাকব।'
ছাত্র পরামর্শক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, 'ছাত্রদের সার্বিক বিকাশে আমি সাংস্কৃতিক চর্চাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মনন ও চিন্তাভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সাংস্কৃতিক পরিবেশের ভূমিকা অপরিসীম। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের মানসিক কষ্ট বা ডিপ্রেশন বন্ধুদের সাথে প্রকাশ করতে পারে, যা মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে ওষুধের মতো কাজ করে।
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ড. মো. জনি আলম বলেন, 'পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও দক্ষতা বিকাশে এক্সট্রা-কারিকুলার কার্যক্রমের প্রয়োজন রয়েছে। ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করে।'
তিনি আরও বলেন, 'বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলাসহ সব ধরনের গঠনমূলক কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ, এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রেও কাজে আসে।'
