চিলমারী উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড শুমারীতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচনের জন্য গত ২৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ, শুক্রবার তাড়াহুড়ো করে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহন করা হয়।
চিলমারী উপজেলা অডিটরিয়ামে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই মৌখিক পরীক্ষা। গত ২২/০৭/২০২৬ ইং উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে তাৎক্ষনি ভাবে সুপার ভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনের ঘোষনা করে আবেদন চাওয়া হয়। শুধু তাই নয় পরের দিনই বিকেল ৪ ঘটিকায় আবেদনের শেষ সময় নির্ধারন করা হয়। উক্ত মাইকিং এ পরের দিন অর্থাৎ ২৪/০৭/২০২৬ ইং,শুক্রবার বাদজুমা সাক্ষাৎকার গ্রহন করার বিষয়ে বলা হয়। প্রশাসনের উদ্দেশ্যমুলক তাড়াহুড়োর কারনে খবরটি অনেক আগ্রহী প্রর্থীদের কানে পৌছেনি। ফলে বাদপড়া আবেদনকারীদেরকে শুক্রবার অফিসের আশপাশে দরখাস্ত হাতে কাকুতি মিনতি করতে দেখা যায়। অপর দিকে অন্যান্য উপজেলায় ২৫ তারিখ আবেদন শেষ সময় ও পরীক্ষার সময ২৬/০৭/২০২৬ ইং করা হয়েছে। চিলমারীতে ফ্যামেলি কার্ড বিষয়ে কেন প্রশাসনের তাড়াহুড়ো এই নিয়ে স্থানীভাবে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ভিন্ন ভিন্ন তারিখ ঘোষনায় চিলমারীতে ফ্যামিলি কার্ড শুমারীতে তথ্য সংগ্রহে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকেই ক্ষুব্দ হয়েছেন। ২৬/০৭/২৬ ইং, রবিবার ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচন কমিটির সদস্য-সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার (অঃদাঃ) নাজমুল হকের সাথে দেখা করে পরীক্ষার ফলাফল ও মোট অংশগ্রহনকারীদের তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ও মোট আবেদনের কপি পরীক্ষা শেষে সাথে নিয়ে গেছেন, তাই কতজন প্রার্থী অংশগ্রহন করেছেন সে সংখ্যাটি তিনি জানেন না। এভাবেই নিজের দোষ তিনি ধামাচাপা দেন বলে ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মাঝে অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়।
তবে আবেদনকারীদের সংখ্যা মোট ৭৬০ জন, এর মধ্যে ৬ ইউনিয়নের জন্য সুপার ভাইজার ৪ জন ও তথ্য সংগ্রহকারী ৪৯ জন নির্বাচন করা হবে বলে অফিসূত্রে জানাগেছে। এ ব্যাপারে ফ্যামেলি কার্ড শুমারীর তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসানের সাথে দুপুরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
অপর দিকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর তথ্য সংগ্রহকারীদের আবেদনের সময় ও নির্বাচন পরীক্ষার সময় বাড়ানো হলেও চিলমারী উপজেলার ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর সংশ্লিষ্টগনকে এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে শোনা যায়নি। তাদের এই উদাসীনতা সরকারের ফ্যামিল কার্ড শুমারীতে সঠিক তথ্য সংগ্রহে বাধাগ্রস্থ করে তুলবে মর্মে সচেতন মহল আশঙ্কা করেছেন। তাই তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচনে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন মহলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।