শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
আইন-আদালত

বাথরুমে হত্যা করে বস্তাবন্দী করে রাখা ঘাতক গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারে যুবককে হত্যা করে বাথরুমে বস্তাবন্দী করার ঘটনায়: কচুরিপানা থেকে হত্যার সাথে অভিযুক্ত প্রধান আসামি গ্রেপ্তার।

মৌলভীবাজারে ঘরে ঢুকে এক শুঁটকি ব্যবসায়ীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বাথরুমে বস্তাবন্দী করে রাখার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোলেমান মিয়াকে (৫০) মঙ্গলবার ভোররাতে পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরের কচুরিপানার ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্ত মাখা দা-টি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যবসায়ীর নাম আব্দুল আজিজ (৩২)। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল এলাকার শামসুল ইসলামের পুত্র এবং পেশায় একজন শুঁটকি ব্যবসায়ী ছিলেন। অন্যদিকে, আটককৃত সোলেমান মিয়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রামের মৃত আমান উল্লাহর পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রামের সুবাহান হাজীর বাড়ির বাথরুমে একটি বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায় এবং বাথরুম থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আব্দুল আজিজের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন অভিযুক্ত সোলেমান মিয়া। পুলিশ ঘাতককে গ্রেপ্তারে রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালায়। অবশেষে মঙ্গলবার (৭ই জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ডোবার কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোলেমান ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে আজিজকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে এবং তার দেখানো মতে স্থান থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা-টি উদ্ধার করা হয়।

“খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্তকে ধরতে আমাদের অভিযান শুরু হয় এবং ভোররাতে তাকে কচুরিপানার ভেতর থেকে আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে আটক সোলেমানকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

এই নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো খলিলপুর ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একজন সাধারণ ব্যবসায়ীকে কেন এভাবে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, তা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি।

মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে নিবিড় তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের করা হয়েছে।

আইন-আদালত থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।