গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে পূর্ব বেলকা গ্রামের নুর আলমের মেয়ে নুর বানু কে ধর্ষণের চেষ্টা করে জামায়েত কর্মী সৈয়দ আলী। নুর আলমের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুর আলমের মেয়ে নুসরাত জাহান@ নুর বানু (১০) বেলকা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়তো।আসামীর বাড়ি এবং নুর আলম এর বাড়ির অবস্থান পাশাপাশি। এমতাবস্থায় ২০/০৪/২০২৬ ইং তারিখে আনুমানিক সকাল ৯:৩০ ঘটিকার সময় আসামির স্ত্রী ও সন্তানেরা বাড়িতে না থাকায় আসামি আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে বলে যে, তার বাড়িতে কেউ নাই আঙ্গিনা পরিষ্কারের জন্য ভিকটিম নুরবানুকে সৈয়দের বাড়িতে পাঠানোর কথা বলেন।আমার স্ত্রী সরল মনে নুরবানুকে সৈয়দের বাড়িতে পাঠান। আমার মেয়ে সৌদির বাড়ি যাওয়ার পর তার আঙ্গিনা পরিষ্কার করেন। আঙ্গিনা পরিষ্কার করা হলে সৈয়দ আলী আমার মেয়েকে নাস্তা খাবার লোভ দেখিয়ে পশ্চিম ভিটার চৌচালা টিনের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। ঘরের ভিতরে ডেকে নিয়ে সৈয়দ আলী নুর বানু কে গালে চুমু ও বুকে কামড় দেন,এবং ভিকটিম নুর বানুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার পরনে থাকা পায়জামা খুলে তার যৌনিতে পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে ধর্ষণ করেন। সে সময় ভিকটিম নুরবানু কান্নাকাটি করলে ছুরি দেখিয়ে ভয় ভীতি দেখানো হয় সেই সাথে সেসব ঘটনা কাউকে না বলতে হুমকি দেওয়া হয়। আমার মেয়ে আসামের বাড়ি থেকে কাঁদতে কাঁদতে আমার বাড়িতে আসলে আমার স্ত্রী কল্পনা বেগম কান্নার কারণ জানতে চাইলে তখন আমার মেয়ে সৈয়দ এর সঙ্গে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা বলেন। আমি এবং আমার ভাই মান্নানসহ আমাদের এলাকার আরো ৪-৫ জনসহ আমার বাড়িতে এসে আমার মেয়ের মুখে সমস্ত বিস্তারিত ঘটনা শুনি।ঘটনা এলাকায় জানাজানির পর এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আসামি বাড়ি থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।পরে বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ করি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য গুলজার হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুটির কাছ থেকে সত্য ঘটনা জানার চেষ্টা করেন। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন শিশুটির বুকের উপর কামড়ের দাগ রয়েছে। শিশুটির সঙ্গে সৈয়দ আলীর দাদা নাতনি সম্পর্ক। সে একজন জামায়াতের কর্মী। অভিযোগের বিষয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। বিষয়ে সৈয়দ আলীর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে, শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষক সৈয়দ আলী কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।