শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
নারী-শিশু

সুন্দরগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জামায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে পূর্ব বেলকা গ্রামের নুর আলমের মেয়ে নুর বানু কে ধর্ষণের চেষ্টা করে জামায়েত কর্মী  সৈয়দ আলী। নুর আলমের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুর আলমের মেয়ে নুসরাত জাহান@ নুর বানু (১০) বেলকা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়তো।আসামীর বাড়ি এবং নুর আলম এর বাড়ির অবস্থান   পাশাপাশি। এমতাবস্থায় ২০/০৪/২০২৬ ইং তারিখে আনুমানিক সকাল ৯:৩০ ঘটিকার সময় আসামির স্ত্রী ও সন্তানেরা বাড়িতে না থাকায় আসামি আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে বলে যে, তার বাড়িতে কেউ নাই আঙ্গিনা পরিষ্কারের জন্য ভিকটিম নুরবানুকে সৈয়দের বাড়িতে পাঠানোর কথা বলেন।আমার স্ত্রী সরল মনে নুরবানুকে সৈয়দের বাড়িতে পাঠান। আমার মেয়ে সৌদির বাড়ি যাওয়ার পর তার আঙ্গিনা পরিষ্কার করেন। আঙ্গিনা পরিষ্কার করা হলে সৈয়দ আলী আমার মেয়েকে নাস্তা খাবার লোভ দেখিয়ে পশ্চিম ভিটার চৌচালা টিনের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। ঘরের ভিতরে ডেকে নিয়ে সৈয়দ আলী নুর বানু কে গালে চুমু ও বুকে কামড় দেন,এবং ভিকটিম নুর বানুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার পরনে থাকা পায়জামা  খুলে তার যৌনিতে পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে ধর্ষণ করেন। সে সময় ভিকটিম নুরবানু কান্নাকাটি করলে ছুরি দেখিয়ে ভয় ভীতি দেখানো হয় সেই সাথে সেসব ঘটনা কাউকে না বলতে হুমকি দেওয়া হয়। আমার মেয়ে আসামের বাড়ি থেকে কাঁদতে কাঁদতে আমার বাড়িতে আসলে আমার স্ত্রী কল্পনা বেগম  কান্নার কারণ জানতে চাইলে তখন আমার মেয়ে সৈয়দ এর  সঙ্গে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা বলেন। আমি এবং আমার ভাই মান্নানসহ আমাদের এলাকার আরো ৪-৫ জনসহ আমার বাড়িতে এসে আমার মেয়ের মুখে সমস্ত বিস্তারিত  ঘটনা শুনি।ঘটনা এলাকায় জানাজানির পর এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আসামি বাড়ি থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।পরে বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ করি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য গুলজার হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুটির কাছ থেকে সত্য ঘটনা  জানার চেষ্টা করেন। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন শিশুটির বুকের উপর কামড়ের দাগ রয়েছে। শিশুটির সঙ্গে সৈয়দ আলীর দাদা নাতনি সম্পর্ক। সে একজন জামায়াতের কর্মী।  অভিযোগের বিষয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। বিষয়ে সৈয়দ আলীর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে, শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষক সৈয়দ আলী কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

নারী-শিশু থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।