শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
নারী-শিশু

প্রেম ও প্রতিশ্রুতির ফাঁদে নারী: অনশনই বাঁচার পথ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় বিয়ের দাবিতে এক গৃহবধূ প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন। এক কন্যাসন্তানের জননী ওই নারী গত রোববার রাত থেকে উপজেলার জঙ্গলমুকন্দপুর গ্রামের সিজান খন্দকারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঘটনার পর থেকে সিজান নিজেকে আত্মগোপনে রেখেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী গৃহবধূ উপজেলার পিঙ্গলিয়া গ্রামের রজব আলী মিয়ার মেয়ে এবং একই গ্রামের সুমন শেখের স্ত্রী। গত আট মাস ধরে ওই নারী ও সিজানের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিজান তাকে ব্যবহার করেছেন।

ঘটনার রাতে, সিজান শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশ করলে পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে ধরে ফেলে। এরপর সিজান কৌশলে পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তার স্বামীও গৃহবধূকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। আর কোনো উপায় না পেয়ে ওই রাতেই নারীটি সিজানের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ আরও জানিয়েছেন, যদি সিজান তাকে গ্রহণ না করেন, তবে তার আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তিনি হুমকিও দিয়েছেন যে দাবি আদায় না হলে নিজ বাড়িতেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ প্রাপ্ত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনশনরত এই গৃহবধূর একাকিত্ব ও কঠিন অবস্থার মধ্যে তার মানসিক দৃঢ়তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করছে, যেখানে সে নিজের ও সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হবে এবং তার দাবির ন্যায়সঙ্গত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।

মূল সংবাদ- দৈনিক বর্তমান বাংলা 

নারী-শিশু থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।