শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
রাজনীতি

উলিপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে জামাত নেতাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ। প্রতিবাদে থানা ঘেরাও।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের হাতিয়া ভবেশ (তাড়িপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা, প্রয়াত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর হাতিয়া ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখার বায়তুলমাল সম্পাদক ও নির্বাচনী সভাপতি ডা. মশিউর রহমান (৪১)-কে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে উলিপুর থানা পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ জুন ধামশ্রেণী ইউনিয়নের রানীগঞ্জ চৌমুহনী-অনন্তপুর সড়কের টেংরাকুড়া ব্রিজ এলাকায় সংঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিজ বাড়ি থেকে ডা. মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার (৩ জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখছে তার পরিবার ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতাকর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের দাবি, ডা. মশিউর রহমান একজন মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তি। তাকে পরিকল্পিতভাবে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলায় জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানির অংশ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ডা. মশিউর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, তাকে অন্যায়ভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং তার সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ডা. মশিউর রহমানকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

অন্যদিকে, উলিপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঘটনাটি নিয়ে উলিপুরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।