শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
আইন-আদালত

রামগড়ে পাহাড়ি-মুসলিম সম্প্রীতি ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির কার্যক্রম নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

রামগড়ে পাহাড়ি-মুসলিম সম্প্রীতি ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির কার্যক্রম নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। 

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলায় ২০০১ সাল থেকে সাবেক এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে গঠিত ‘পাহাড়ি-মুসলিম সম্প্রীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস দমন কমিটি’র বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে অস্পষ্টতা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এক সময় এই কমিটি উপজেলায় সম্প্রীতি রক্ষা, ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। কিন্তু বর্তমানে কমিটিটি কিভাবে চলছে, কারা দায়িত্বে আছেন এবং সাধারণ মানুষ কোথায় গেলে শালিশ-বিচার বা পরামর্শ পাবেন, সে বিষয়ে অধিকাংশ মানুষই কিছু জানেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আগে কমিটির মিটিং হতো, বিরোধ হলে তারা বসতেন। এখন কমিটি সচল আছে কিনা, কার কাছে যাবো – এসবের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। ফলে ছোটখাটো বিষয় নিয়েও মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।”

রামগড় উপজেলা প্রশাসন ও থানা সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে গঠিত কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও প্রশাসনিক রদবদলের কারণে কমিটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্থবির হয়ে পড়ে। বর্তমানে এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা সদস্য তালিকা উপজেলা অফিসে হালনাগাদ নেই।

সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ি-বাঙালি অধ্যুষিত রামগড়ের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় সম্প্রীতি রক্ষার জন্য এমন একটি কমিটির সক্রিয় থাকা জরুরি। কমিটির বর্তমান অবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্তদের তালিকা ও যোগাযোগের ঠিকানা প্রকাশ্যে আনা হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ ও প্রয়োজনে নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

M

আইন-আদালত থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।