বগুড়ার ধুনট উপজেলায় শিশু বয়সেই তাকওয়া ও ধর্মীয় অনুশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ৫ বছর বয়সী মো: সালমান সিরাজ হুজায়ফা। উপজেলার পাঁচথুপী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ও ধর্মীয় অভিজাত পরিবারের এই সন্তান গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে রোজা পালন করছে।
সালমান স্থানীয় পাঁচথুপী আদর্শ কেজি স্কুলের শিশু শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। তার বাবা মাওলানা মুহিবুল্লাহ শাফী ও মা মোছা: সালমা খাতুন। এলাকায় তাদের পরিবারটি একটি ধর্মীয় আদর্শ ও অভিজাত পরিবার হিসেবে পরিচিত। পারিবারিক সেই ঐতিহ্যের বলয়ে বড় হওয়া সালমান মাত্র ৪ বছর বয়স থেকেই সাহরি, ইফতার ও তারাবির নামাজের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়ে আসছে।
সালমানের চাচা বিশিষ্ট আলেম মাওলানা সানাউল্লাহ নিয়ামতি বলেন, “আমাদের পরিবারে শিশুদের শৈশব থেকেই দ্বীনি ও নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হয়। সালমান অত্যন্ত কোমলমতি হওয়া সত্ত্বেও ইবাদতের প্রতি তার যে একাগ্রতা, তা আমাদের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার। এটি তার ভবিষ্যতে একজন সুনাগরিক ও ধর্মপ্রাণ মানুষ হওয়ার পথে বড় সহায়ক হবে।”
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সালমানের এই অভাবনীয় প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, পড়াশোনায় প্রখর মেধার পাশাপাশি তার এই ধর্মীয় সংযম চর্চা শিশুটির মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
প্রতিবেশীরা জানান, ছোট ছোট শিশুদের জন্য সালমান এখন একটি অনুকরণীয় নাম। ধর্মীয় কৃষ্টি ও আভিজাত্যের মিশেলে সালমানের এই এগিয়ে চলা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। পরিবারটির প্রত্যাশা, সালমান বড় হয়ে জ্ঞান ও তাকওয়ার আলোয় সমাজকে আলোকিত করবে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।