দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলাকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। সম্প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, মাদক বর্তমানে সমাজের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। এটি শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
স্থানীয়রা মনে করেন, ফুলবাড়ীর তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে সচেতনতা বৃদ্ধি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং পারিবারিক নজরদারি জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী ও কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলারও দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এই সংগ্রাম কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একার নয়; এটি পুরো সমাজের লড়াই। একটি সুন্দর, সুস্থ ও নিরাপদ ফুলবাড়ী গড়তে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে এবং ফুলবাড়ীর উন্নয়ন ও নিরাপত্তার স্বার্থে গৃহীত উদ্যোগের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এ.কে.এম. কামরুজ্জামানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অনেক স্থানীয় বাসিন্দা। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফুলবাড়ীতে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও যুবসমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফুলবাড়ী একদিন মাদকমুক্ত ও নিরাপদ উপজেলায় পরিণত হবে।
স্লোগান:
“স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, মাদককে ছাড়তে হবে দলে দলে।”
“আমরা তরুণ, আমরা বল—মাদক রুখবো অনর্গল।”
“মাদকমুক্ত ফুলবাড়ী চাই।”






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।