খুলনা নগরীতে ইসলামী বক্তা ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর)
আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আবেদন
গ্রহণ করেছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের সোনাডাঙ্গা আমলী
আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান খান।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালতে মামলাটি দায়ের
করেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা
মহানগর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি। আদালত আবেদন আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ
দেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৪ মে তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল
হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার আদালতে আরজি দাখিল করা হয়।
সোমবার শুনানি শেষে বিচারক মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানাকে তদন্তের নির্দেশ
দিয়েছেন।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক ভিডিওতে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় আমির
হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান
কোকোর নাম ব্যঙ্গাত্মকভাবে বিকৃত করে অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করেন। এতে কোকো ও
জিয়া পরিবারের সম্মান, সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে
অভিযোগ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, গত ১৬ জানুয়ারি
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন সি অ্যান্ড বি এলাকায় কোকো স্মৃতি কার্যালয়ে
অবস্থানকালে বাদী এসব বক্তব্য শোনেন ও ভিডিওটি প্রত্যক্ষ করেন।
মামলার বাদী মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি বলেন,
আরাফাত
রহমান কোকোকে নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তি ও অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের
বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি
বলেন, কোকো একটি জনপ্রিয় ও সম্মানিত পরিবারের সন্তান এবং তার বিরুদ্ধে কোনো
মামলা নেই। এমন বক্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
অপরদিকে মামলার এজাহারে বলা হয়, ফেসবুক
আইডির মাধ্যমে প্রচারিত ওই ওয়াজের বক্তব্যে কোকোর পরিবারসহ বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের
মানহানি হয়েছে এবং এতে সামাজিকভাবে ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।