শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
মাদক

ধুনটে পালানোর চেষ্টাকালে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ফজলুল হক (৩৪) ও সোহরাব হোসেন (৪৪) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। এ ঘটনায় ধুনট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার (২ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে ধুনট পৌরসভার চরধুনট এলাকার ইছামতি সেতুর ওপর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মো. ফজলুল হককে আটক করে দেহ তল্লাশি চালালে চারটি পুরিয়ায় মোট ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ।

অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টাকালে সামান্য আহত হন ফজলুল হক। পরে তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া আলামতের একটি অংশ রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে, বাকি অংশ মামলার আলামত হিসেবে জব্দ রাখা হয়েছে।

থানায় দায়ের করা এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফজলুল হক দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া হেরোইন তিনি ধুনট সদরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে সোহরাব হোসেনকে তার বাড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, আটকের সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে মাদক কেনাবেচা-সংক্রান্ত কিছু তথ্যের মিল পাওয়া গেছে বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হবে আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও চলমান তদন্তের মাধ্যমে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটির বিভিন্ন দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রেকর্ড যাচাই করে দেখা গেছে, গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন থানায় মাদক ও অন্যান্য অপরাধ-সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।

মাদক থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।