শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
সারাদেশ

বিল পরিশোধ নিয়ে জটিলতা: সন্তানহারা প্রসূতির হাসপাতাল ছাড়তে বিলম্ব, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমাধান

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে চিকিৎসা ব্যয়ের বিল পরিশোধ করতে না পারায় সদ্য সন্তান হারানো এক প্রসূতিকে সময়মতো হাসপাতাল ছাড়তে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টির সমাধান হয় এবং ওই প্রসূতি বাড়ি ফিরে যান।

ঘটনাটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার ল্যাম্ব হাসপাতালে ঘটে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর (মাঝাপাড়া) গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী অসুস্থ ছয় দিন বয়সী নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার হাসপাতালে ভর্তি হন। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে নবজাতকটি মারা যায়।

স্বজনদের দাবি, চিকিৎসা ব্যয়ের বিল পরিশোধ করতে না পারায় প্রসূতির ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। এ কারণে মায়ের অনুপস্থিতিতেই নবজাতকের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়।

ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে অবগত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতিকে ছাড়পত্র দেয়।

ইউএনও সাদ্দাম হোসেন বলেন, দরিদ্র রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড় বা বিনা মূল্যে চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন অসহায় রোগীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানবিকতা দেখানো উচিত।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ল্যাম্ব হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইমন বলেন, “রোগীকে আটকে রাখা হয়নি। চিকিৎসা ব্যয়ের বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস পাওয়ার পরই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।”

অন্যদিকে, রোগীর স্বজনদের দাবি, চিকিৎসা বিল পরিশোধের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত প্রসূতিকে হাসপাতাল ত্যাগ করতে দেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, আর্থিক সংকটে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের আরও মানবিক ও সহানুভূতিশীল ভূমিকা প্রত্যাশিত।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।