শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
সারাদেশ

ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সংস্কার হয়নি, অতিবৃষ্টিতে ধসে পড়ল কালভার্ট : ধুনটে বিচ্ছিন্ন কয়েক গ্রামের মানুষ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নে অতিবৃষ্টির কারণে নিমগাছী-হেউটনগর সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ একটি কালভার্ট ধসে পড়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কালভার্টের মাঝামাঝি অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়লে এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে ওই পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিপাতে এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত পানির প্রবাহে কালভার্টের নিচের মাটি ক্রমে সরে গিয়ে ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আর ধরে রাখতে না পেরে কালভার্টের মাঝের অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নিমগাছী ও হেউটনগর এলাকার মানুষের জন্য এই কালভার্টটি ছিল প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন এই পথে কৃষক তাদের ফসল বাজারে নিয়ে যেতেন, শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতেন এবং ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করতেন। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এবং জরুরি সেবা গ্রহণে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. কাওসার আহমেদ ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “কালভার্টটি অনেক দিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কয়েকবার সংস্কারের কথা জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন ভেঙে যাওয়ায় কয়েক গ্রামের মানুষ চরম সমস্যায় পড়েছেন।”

দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়াকেই এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিপন মিয়া বলেন, “কালভার্টটির নির্মাণকাজ চলমান ছিল। কাজের কোনো ত্রুটি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা এবং পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুম সবে শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় কালভার্টটি দ্রুত সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ না হলে আগামী দিনগুলোতে দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। কৃষক থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী — সকলেই বিকল্প পথে দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসী দ্রুত কালভার্টটি পুনর্নির্মাণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।