শিরোনাম
পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ১৫ বছরের বিরোধ, ন্যায্য অধিকার ফেরতের দাবি ফরহাদ আহমেদ সম্রাটের পূর্ণ নিরাপত্তায় শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার ‘রোডম্যাপ চূড়ান্ত’ আঠারবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ৬ জনের ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ধুনটে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ধুনটে ঔষধ সেবনের পর অসুস্থ,চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু লালমনিরহাটে যুবককে তুলে নিয়ে মারধর ও ২ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ পাবনা আমিনপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা
অন্যান্য

গভীর রাতে লালমনিরহাট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের মূল ফটকের নামকরণ মুছে ফেলার অপচেষ্টা

গভীর রাতের অন্ধকারে লালমনিরহাট শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিসৌধ ‘মুক্তিযোদ্ধা চত্বর’-এর মূল ফটকে নামকরন মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। ফটকের উপরে স্থাপিত ‘মুক্তিযোদ্ধা চত্বর’ লেখাটি কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। সকালে চত্বরে আসা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র-যুবক ও সচেতন নাগরিকরা ফটকের লেখাটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও মুছে যাওয়া অবস্থায় দেখতে পান। লেখার কিছু অংশে রং দিয়ে ঢেকে দেওয়া বা ঘষে মুছে ফেলার চিহ্ন স্পষ্ট।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যরা। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হামিদ বলেন, “এটা শুধু একটা ফটকের লেখা মুছে ফেলার ঘটনা নয়, এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাসের প্রতি আঘাত। যারা এ কাজ করেছে, তারা দেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে অস্বীকার করতে চায়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।”

স্থানীয়রা  জানান, “রাতে চত্বরের আশপাশে কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল। সকালে এসে দেখি ফটকের নামের অংশ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এটা কোনো দুষ্কৃতিকারীর কাজ।”

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি (তদন্ত) জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দুর্বল করার একষটি অপচেষ্টা মাত্র।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফটকটির ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত মেরামত করা হবে এবং চত্বরের নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই ঘটনা লালমনিরহাটবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সবাই একমত—মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও সম্মান রক্ষায় সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।