শিরোনাম
পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ১৫ বছরের বিরোধ, ন্যায্য অধিকার ফেরতের দাবি ফরহাদ আহমেদ সম্রাটের পূর্ণ নিরাপত্তায় শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার ‘রোডম্যাপ চূড়ান্ত’ আঠারবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ৬ জনের ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ধুনটে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ধুনটে ঔষধ সেবনের পর অসুস্থ,চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু লালমনিরহাটে যুবককে তুলে নিয়ে মারধর ও ২ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ পাবনা আমিনপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা
অন্যান্য

রোমান্টিক রোমিও গনধোলাই! মৌলভীবাজারে রোমিওর কপালে গণপিটুনি!

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস মানেই ফুল, চকলেট আর রোমান্টিক ডিনার। কিন্তু মৌলভীবাজারে আজকের চিত্রনাট্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রেমের সন্ধ্যানে বের হয়ে এক যুবক যা পেলেন, তা হয়তো তার ১৪ পুরুষের কেউ কখনো কল্পনাও করেননি। ফুলের বদলে তার কপালে জুটল হিল জুতা পিঠা আর বোনাস হিসেবে ‘গণ-কিল’।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে শহরের পরিচিত ও জনপ্রিয় ওয়াক ওয়েতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,দুই তরুণী বেশ ফুরফুরে মেজাজে ওয়াক ওয়েতে হাঁটছিলেন। ঠিক তখনই সেখানে আবির্ভাব ঘটে এক ‘স্বঘোষিত রোমিওর’।

সূত্রের খবর, ওই যুবক আজকের দিনে ‘সিঙ্গেল’ থাকার বেদনা সইতে না পেরে একজন সঙ্গীর খোঁজে শিকারে নেমেছিলেন। দুই তরুণীকে দেখে তিনি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি। সিনেমার কায়দায় ‘রোমান্টিক ওয়েতে’ উত্ত্যক্ত বা ইভটিজিং শুরু করেন তিনি। ভেবেছিলেন, হয়তো কোনো একটি মন গলে যাবে।

কিন্তু হায়! মন তো গললই না, বরং তরুণীদের পায়ের জুতা খুলে গেল। মুহূর্তের মধ্যে রোমান্টিক দৃশ্যটি অ্যাকশন মুভিতে রূপ নেয়। দুই তরুণী মিলে ওই যুবককে ‘জুতা-পেটা’ শুরু করেন।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। বাঙালির চিরায়ত স্বভাব অনুযায়ী, ঝটলা দেখে সেখানে আভির্ভাব ঘটে স্থানীয় কিছু ‘হিরো’ বা উৎসুক জনতার। ঘটনা বোঝা মাত্রই তারাও যোগ দেন এই মহৎ কর্মে। শুরু হয় ‘গণজোয়ারে বেদরক কেলানি’। কেউ কিল, কেউ চড়, আবার কেউ শুধুই হাত সাফাই করার জন্য ভিড় ঠেলে দুই-একটা বসিয়ে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “ভাইটি এসেছিলেন গার্লফ্রেন্ড খুঁজতে, কিন্তু এখন তাকে খুঁজতে হবে ভালো কোনো হাড় ভাঙা ডাক্তার। পাবলিকের মাইর আর জুতার বাড়ি খেয়ে তিনি ভালোবাসা দিবসের আসল মর্ম বুঝে গেছেন।”

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ওই রোমিও যুবক ভিড়ের ফাঁকে কোনোমতে নিজের প্রাণ (এবং অবশিষ্ট মান-সম্মান) নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।