শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
বাছাইকৃত

ময়মনসিংহে মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

ময়মনসিংহে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর মাত্র চার ঘণ্টা আগে প্রাণ হারিয়েছেন মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী তিশা সরকার (১৮)। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে নগরীর কাচিঝুলী মসজিদ রোড এলাকার ‘নাসা টাওয়ার’ ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

তিশা ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার মধ্য বাজার এলাকার উত্তম সরকার ও মনি সরকারের মেয়ে। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে গত দুই বছর ধরে তিনি ময়মনসিংহ নগরীর একটি ছাত্রী মেসে থেকে লেখাপড়া করছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল তাঁর বহু প্রতীক্ষিত এইচএসসি পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার বদলে তাঁর যাত্রা শেষ হলো হাসপাতালের মর্গে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ৬টার দিকে তিনি ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মেসের অন্য সদস্যরা তখন ঘুমিয়ে থাকায় ঘটনার মুহূর্ত সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) আশরাফুল করিম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরীক্ষা-সংক্রান্ত মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনো কারণ—সব দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু শুধু একটি প্রাণের অবসান নয়। এর সঙ্গে হারিয়ে যায় একটি পরিবারের বহু বছরের ত্যাগ, অসংখ্য স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। সমাজ হারায় একজন সম্ভাবনাময় নাগরিককে, আর রাষ্ট্র হারায় ভবিষ্যতের একজন দক্ষ মানবসম্পদকে। এমন প্রতিটি মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়—শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, পারিবারিক যোগাযোগ, সামাজিক সহমর্মিতা এবং সময়মতো মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি।

বাছাইকৃত থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।