সাংবাদিকের সাথে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অদাচারণে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরের কাজের বিজ্ঞাপন বিষয়ে উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তার আহব্বানে ০৩/০৫/২০২৬ ইং তারিখ বিকেল ৩ টায় তার অফিসে উপস্থিত হয়। এসময জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অন্যান্য সাংবািদকগনের সাথে চেয়ারে বসেন। আলোচনা শুরু হওয়ার কিছুক্ষন পরে কক্ষে প্রবেশ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাক্তার রায়হান। তাকে দেখেই ইউএনও মাহমুদুল হাসান জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতিকে চেয়ার থেকে উঠতে বলেন। ডাক্তার রায়হায়নের কুড়িগ্রাম জেলা হাসপাতালে সদ্য বদলী হওয়ার আদেশটি স্থগিত হওয়ায় ইউএনও বেশ দম্ভ প্রকাশ করে অভিনন্দন জনান। ডাক্তার রায়হান কথা শেষে চলে যান। উক্ত ডাক্তার রায়হানের বাড়ি অত্র উপজেলায় ও প্রায়শঃই তাকে বাইরে থাকতে শোনা যায়। পরে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে উক্ত সাংবাদিককে ধমকের সুরে বলেন, ” আপনি বেশি কথা বলেন।” জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি তাৎক্ষনিক ভাবে এর জোরালো প্রতিবাদ জানালেও বাকি সাংবাদিকরা হতবাক হয়ে যান। একপর্যায়ে তিনি নিজে কক্ষ থেকে বের হতে উদ্যত হলে অন্যান্যরা তাকে থামিয়ে দিলেও ইউএনও তাকে চলে যেতে বলেন। এসময় উপস্থিত চিলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সোহেল, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সাদ্দাম, সাংবাদিক রিয়াদ বাবু,সাংবাদিক রকি-রাফি,উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি মনিরুর ইসলাম লিটু, সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সেক্রেটারী আবু ওবায়দুল হক খাজা, চ্যানেল ৬৯ এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, সাংবাদিক নুর আলম, সাংবাদি তাইবুর, সাংবাদিক শাহ আলম সবুজ প্রমূখ। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এহেন আচরন কথা বলার স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে যা অদাচারণের সামিল বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য যে, এধরনের কর্মকর্তারগনের বদলী হযে আসা ও যাওয়ায় এবং নিজেদের চিন্তা প্রয়োগ করায় এলাকার উন্নয়ন মুখ থুবরে পড়েছে।
চিলমারীতে ইউএনও এর অসদাচরণে সাংবাদিকের প্রতিবাদ
সোশ্যাল মিডিয়া
থেকে আরও পড়ুন





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।