রিলেশন টিকানোর জন্য বিয়ের আগেই সেক্স করা উচিত? রিসেন্টলি দেখলাম এরা টয়লেটে সেক্স করতে গিয়ে ধরা খাইছে। তাও আবার বোরকা পরে। কিছু বিষয় আসলে বোঝা জরুরি। একটা সম্পর্ক কত বছর টিকলে সেটাকে “সিরিয়াস” বলা যায়?পাঁচ বছর? দশ বছর? নাকি শারীরিক সম্পর্ক হলেই সেটা গভীর হয়ে যায়?
ছেলে-মেয়ে প্রেম করছে অনেকদিন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের আবেগ বাড়ে, আবেগ থেকে চাহিদা আসে, চাহিদা মেটাতে গিয়ে শরীরের সীমা ভাঙে। এখন প্রশ্ন হলো- বিয়ের আগেই যদি শরীর দেওয়া-নেওয়া হয়ে যায়, তাহলে বিয়েটা কতটা জরুরি থাকে? বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক- এটা কি সত্যিই রিলেশন টিকিয়ে রাখে?
একবার এক মেয়ে জানালো সে পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে আছে। ছেলেটিকে সে ভালোবাসে, ছেলেটিও তাকে ভালোবাসে (মেয়েটার তাই ধারণা)। শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে বেশ কিছু বার। পরিবার থেকে বিয়ের চাপ আসছে, কিন্তু ছেলেটা বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না। মেয়েটি যখনই বিয়ের প্রসঙ্গ তোলে, ছেলেটি বলে- – সময় লাগবে – সিচুয়েশন ভালো না – ক্যারিয়ার সেট হোক, তারপর এদিকে মেয়েটি ভাবছে, সম্পর্ক গভীর বলেই তো তারা একসঙ্গে রাত কাটায়, মাসে কয়েকবার অন্তরঙ্গ হয়। সম্পর্কের আবেগ আর শরীরের নেশা একসাথে গড়ে উঠেছে। মেয়েটির ধারণা, তারা স্বামী-স্ত্রীর মতোই, শুধু কাগজের সিলমোহরটা বাকি। কিন্তু ছেলেটি কি আসলেই সেভাবে ভাবে? ছেলেরা কমিটমেন্টে যেতে চায় না কেন?
১. যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তার দাম থাকে না যে কোনো কিছু সহজলভ্য হলে, তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যায়। একটা ছেলে জানে, বিয়ে ছাড়াই সে তার শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে পারছে। তাহলে সে কেন বিয়ে করে দায়িত্ব নেবে?
২. শারীরিক সম্পর্ক সহজলভ্য হলে, কমিটমেন্ট কঠিন হয়ে যায় যখন কোনো কিছু পেতে কষ্ট করতে হয়, তখন সেটার কদর বাড়ে। কিন্তু যদি কাউকে সহজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকে পাওয়ার জন্য লড়াই করার দরকার পড়ে না।
৩. বিয়ে মানেই দায়িত্ব, আর দায়িত্ব নিতে সবাই চায় না প্রেম মানে আনন্দ, ঘোরাঘুরি, কফিশপে সময় কাটানো। কিন্তু বিয়ে মানে সংসার, দায়িত্ব, পরিবার। ছেলেটা জানে, বিয়ে মানেই- • অর্থনৈতিক চাপ • পারিবারিক দায়বদ্ধতা • সামাজিক দায়িত্ব সে যদি এগুলোর জন্য প্রস্তুত না থাকে, তাহলে সম্পর্ক চালিয়ে যাবে, কিন্তু বিয়ের কথা এড়িয়ে যাবে। তাহলে কী করণীয়? –
শারীরিক সম্পর্ককে সম্পর্কের গভীরতার মাপকাঠি ভাববেন না। – যদি দেখেন ছেলেটি বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না, তবে সম্পর্ক থেকে দ্রুত সরে আসার ট্রাই করুন। – দূরত্ব তৈরি করুন, তার প্রতিক্রিয়া দেখুন।
– যদি সে সত্যিই আপনাকে চায়, তাহলে আপনাকে হারানোর ভয় কাজ করবে এবং সে কমিটমেন্টের দিকে এগোবে।
– যদি সে দূরে সরে যায়, বুঝবেন-সে আপনাকে কখনোই বিয়ে করার পরিকল্পনায় ছিল না। একটা কথা মনে রাখবেন… রিলেশন মানেই শরীর না, আর শরীর মানেই ভালোবাসা না। দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ খুবই জটিল। আপনি কাউকে মাগনা কিছু দিতে থাকলে সে আপনাকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড ধরে নেবে। আপনাকে ভাববে মাগনা মাল।
সুতরাং, সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন- আপনি কি মাগনা মাল হতে চান, নাকি হাই ভ্যালুর মানুষ হতে চান? লোবাসা না। দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ খুবই জটিল। আপনি কাউকে মাগনা কিছু দিতে থাকলে সে আপনাকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড ধরে নেবে। আপনাকে ভাববে মাগনা মাল। সুতরাং, সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন- আপনি কি মাগনা মাল হতে চান, নাকি হাই ভ্যালুর মানুষ হতে চান? রিলেশন টিকানোর জন্য বিয়ের আগেই সেক্স করা উচিত? রিসেন্টলি দেখলাম এরা টয়লেটে সেক্স করতে গিয়ে ধরা খাইছে। তাও আবার বোরকা পরে। কিছু বিষয় আসলে বোঝা জরুরি। একটা সম্পর্ক কত বছর টিকলে সেটাকে “সিরিয়াস” বলা যায়? পাঁচ বছর? দশ বছর? নাকি শারীরিক সম্পর্ক হলেই সেটা গভীর হয়ে যায়? ছেলে-মেয়ে প্রেম করছে অনেকদিন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের আবেগ বাড়ে, আবেগ থেকে চাহিদা আসে, চাহিদা মেটাতে গিয়ে শরীরের সীমা ভাঙে।
এখন প্রশ্ন হলো- বিয়ের আগেই যদি শরীর দেওয়া-নেওয়া হয়ে যায়, তাহলে বিয়েটা কতটা জরুরি থাকে? বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক- এটা কি সত্যিই রিলেশন টিকিয়ে রাখে? একবার এক মেয়ে জানালো সে পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে আছে। ছেলেটিকে সে ভালোবাসে, ছেলেটিও তাকে ভালোবাসে (মেয়েটার তাই ধারণা)। শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে বেশ কিছু বার। পরিবার থেকে বিয়ের চাপ আসছে, কিন্তু ছেলেটা বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না। মেয়েটি যখনই বিয়ের প্রসঙ্গ তোলে, ছেলেটি বলে- – সময় লাগবে – সিচুয়েশন ভালো না – ক্যারিয়ার সেট হোক, তারপর এদিকে মেয়েটি ভাবছে, সম্পর্ক গভীর বলেই তো তারা একসঙ্গে রাত কাটায়, মাসে কয়েকবার অন্তরঙ্গ হয়। সম্পর্কের আবেগ আর শরীরের নেশা একসাথে গড়ে উঠেছে। মেয়েটির ধারণা, তারা স্বামী-স্ত্রীর মতোই, শুধু কাগজের সিলমোহরটা বাকি। কিন্তু ছেলেটি কি আসলেই সেভাবে ভাবে? ছেলেরা কমিটমেন্টে যেতে চায় না কেন? ১. যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তার দাম থাকে না যে কোনো কিছু সহজলভ্য হলে, তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যায়। একটা ছেলে জানে, বিয়ে ছাড়াই সে তার শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে পারছে। তাহলে সে কেন বিয়ে করে দায়িত্ব নেবে? ২. শারীরিক সম্পর্ক সহজলভ্য হলে, কমিটমেন্ট কঠিন হয়ে যায় যখন কোনো কিছু পেতে কষ্ট করতে হয়, তখন সেটার কদর বাড়ে। কিন্তু যদি কাউকে সহজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকে পাওয়ার জন্য লড়াই করার দরকার পড়ে না। ৩.বিয়ে মানেই দায়িত্ব, আর দায়িত্ব নিতে সবাই চায় না প্রেম মানে আনন্দ, ঘোরাঘুরি, কফিশপে সময় কাটানো। কিন্তু বিয়ে মানে সংসার, দায়িত্ব, পরিবার। ছেলেটা জানে, বিয়ে মানেই- • অর্থনৈতিক চাপ • পারিবারিক দায়বদ্ধতা • সামাজিক দায়িত্ব সে যদি এগুলোর জন্য প্রস্তুত না থাকে, তাহলে সম্পর্ক চালিয়ে যাবে, কিন্তু বিয়ের কথা এড়িয়ে যাবে। তাহলে কী করণীয়? – শারীরিক সম্পর্ককে সম্পর্কের গভীরতার মাপকাঠি ভাববেন না। – যদি দেখেন ছেলেটি বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না, তবে সম্পর্ক থেকে দ্রুত সরে আসার ট্রাই করুন। – দূরত্ব তৈরি করুন, তার প্রতিক্রিয়া দেখুন। – যদি সে সত্যিই আপনাকে চায়, তাহলে আপনাকে হারানোর ভয় কাজ করবে এবং সে কমিটমেন্টের দিকে এগোবে। – যদি সে দূরে সরে যায়, বুঝবেন-সে আপনাকে কখনোই বিয়ে করার পরিকল্পনায় ছিল না। একটা কথা মনে রাখবেন… রিলেশন মানেই শরীর না, আর শরীর মানেই ভালোবাসা না। দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ খুবই জটিল। আপনি কাউকে মাগনা কিছু দিতে থাকলে সে আপনাকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড ধরে নেবে। আপনাকে ভাববে মাগনা মাল। সুতরাং, সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন- আপনি কি মাগনা মাল হতে চান, নাকি হাই ভ্যালুর মানুষ হতে চান? লোবাসা না। দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ খুবই জটিল। আপনি কাউকে মাগনা কিছু দিতে থাকলে সে আপনাকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড ধরে নেবে। আপনাকে ভাববে মাগনা মাল। সুতরাং, সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন- আপনি কি মাগনা মাল হতে চান, নাকি হাই ভ্যালুর মানুষ হতে চান?
এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।