পলাশবাড়ী উপজেলা তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম এখনও মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সেক্রেটারি পদে বহাল রয়েছেন। অথচ স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, পরিবহন ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে তিনি আন্তঃজেলা মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয় সূত্র দাবি করছে, সেলিম নামের এই ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসাকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে সক্রিয়ভাবে মাদক বাণিজ্য পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার স্ত্রী রেকসোনা আক্তার হ্যাপীও রাইগ্রাম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, রেকসোনা অতীতে কথিত মাদক সম্রাট হেরোইন জব্বারের পুত্র প্রয়াত রাজুর সাবেক স্ত্রী ছিলেন। রাজু ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার পর মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকায় নতুন সমীকরণ তৈরি হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, পরবর্তীতে সেলিম রেকসোনাকে বিয়ে করে সেই নেটওয়ার্ক নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন।
আরও অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সেলিমের প্রভাব অটুট রয়েছে। বিএনপির দু-একজন নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তিনি এখনও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগের শাসনামলে পলাশবাড়ী এলাকায় মাদক বিস্তারের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল। তবে এতসব অভিযোগ সত্ত্বেও তিনি কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
পলাশবাড়ীবাসীর প্রশ্ন—
কার আশ্রয়ে চলছে এই মাদক ব্যবসা? প্রশাসনের নজরদারি কোথায়?
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরিকরা।





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।