চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে গিয়ে গতকাল ০৭/০৬/২০২৬ ইং তারিখে কাচকোল এলাকায় স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রাইশা মনির (৮) লাশ আজও উদ্ধার হয়নি। ফায়র সার্ভিসের ডুবুরি দল মরিয়া হয়ে নদের তলদেশের আশ-পাশের এলাকা তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে। গতকাল সোমবার (৭ই জুন) বিকেল আনুমানিক ৫টার উপজেলার, রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কাঁচকোল দক্ষিণ খামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত রাইশা মনি ঐ এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেয়ে। জানাগেছে, আজকে বিকেল আনুমানিক ৫টার সময় বাড়ির সামনে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায়। গোসল করার এক পর্যায়ে, রাইসা মনি নদের কিনার থেকে একটু দূরে চলে যায় এবং সে ওখানে ডুবে যায়। পরে তার সাথে গোসল করতে যাওয়া, রাকিবুল ইসলাম, মনির মিয়া, সাগর মিয়া ও ফারহানা খাতুন সবাই দেখে এবং তাকে বাঁচার জন্য ফারহানা সেখানে চলে যায়। কিন্তু গিয়ে তাকে আর খুঁজে পায়নি বলে জানান।
এ ব্যাপারে মনির মিয়া বলেন, যখন সে দূরে গিয়ে ডুবে যায়। তখন ফারহানা তাকে বাঁচার জন্য যায়, কিন্তু যাওয়ার পরে তাকে আর পাওয়া যায়নি। নিহত আয়েশা মনি “কাঁচকেল বাজার নবিজান নুরানি ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার” ২য় শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানাগেছে। পরের চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের টিম সেখানে উপস্থিত হয় এবং টিম লিডার গোলজার হোসেন বলেন, আমাদের কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যে ডুবুরি কোন দল নেই, শুধুমাত্র রংপুর বিভাগ একটি দল আছে। তারা এখন লালমনিরহাটে এরকম দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়া লোক কে উদ্ধার করতে গিয়েছেন। আজ ০৮/০৬/২০২৬ ইং তারিখ ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রাইশা মনির মৃত্যু ও আজ অবধি তার লাশ খুজে না পাওয়ার কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া বেড়েই চলেছে।





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।