ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বৃকাঠালিয়া গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে একটি মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লক্ষ গুলশা মাছের পোনা নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষী মো. সবুজ খা প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ক্রমবর্ধমান চুরি, সহিংসতা, প্রতিহিংসামূলক হামলা ও নাশকতার নানা ঘটনায় উদ্বেগের মধ্যেই এবার মাছের খামারে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন ঘটনাগুলো ঈশ্বরগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক মো. সবুজ খা জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি তার মাছের খামারের পাশে চাচাতো ভাই সুজন ও সুজনের ছেলেকে দেখতে পান। এর কিছুক্ষণ পর থেকেই পুকুরে থাকা গুলশা মাছের পোনা একে একে মরে পানিতে ভেসে উঠতে শুরু করে। সকালে পুরো পুকুরজুড়ে মৃত মাছের পোনা দেখতে পেয়ে তিনি হতবাক হয়ে পড়েন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মো. সবুজ খা বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে। রাত ১১টার দিকে আমি নিজ চোখে আমার চাচাতো ভাই সুজন ও তার ছেলেকে ফিসারিতে দেখেছি। পূর্বশত্রুতার জের ধরে তারা বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে আমার ৪-৫ লাখ গুলশা মাছের পোনা মেরে ফেলেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।