যশোরের চৌগাছায় সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজী,চৌগাছা বাজারে ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার একটা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অমিত কুমার ঘোষ চৌগাছা বাজারে দীর্ঘ দিন ধরে সুনামেরর সঙ্গে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
চৌগাছা উপজেলার জামাতের অন্যতম নেতা, যিনি একজন ভারপ্রাপ্ত মাদ্রাসা সুপার ও নতুন সকালের বার্তার সাংবাদিক,
তিনি দীর্ঘ দিন ধরে এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে অত্যাচার করেই চলেছেন,কাউকে মুল্যায়ন করেন না,
তার কাজ সাংবাদিকতার আড়ালে মানুষকে ব্লাকমেইল করা,ঘটনার দিন মিষ্টির দোকানে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে, তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতে থাকেন,
ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে একপ্রকার চাঁদাবাজি করতে গিয়ে, জনগণের গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন কথিত সাংবাদিক। মিথ্যা বানোয়াট গল্প তৈরি করে
মিষ্টির দোকানের মালিক ও ছেলেকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দিয়েছেন,, তাহলে এরা যাবে কোথায়, থাকবে কিভাবে?
চৌগাছা থানার সকল ধর্মের মানুষ মিলে মিশে বসবাস করছেন,,
চৌগাছাতে বর্তমান জামাতের তান্ডব চলছে, যার ফলশ্রুতিতে আজকে এই হামলা। সাংবাদিকতার নামে একটা প্রতিষ্টান খুলে রেখেছেন চৌগাছা বাজারে,যেখানে শুধু জামাতের সাংবাদিকদের বসবাস।গুটিকয়েক জামাতের সাংবাদিক মিলে চৌগাছা উপজেলা কে গ্রাস করে ফেলছেন,আজকে সংখ্যা লঘু পরিবার কতটা নিরাপদ এই জামাতের কাছে?
বাংলাদেশের মানুষ জানতোই না জামাত কি জিনিস, যদি না জামাতের কিছু এমপি সংসদে না থাকতো।
লোকমুখে প্রচার, এই জামাতি সাংবাদিক সময়মতো অফিস করেন না,সারাক্ষণ উপজেলা ও থানায় তদবির করতে ব্যস্ত।
উপজেলা প্রশাসন ও তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ,
তিনি কার ছত্রছায়ায় এগুলো করছেন, জানতে চান জনগণ…




এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।