শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
ক্যাম্পাস

বাঁশখালীর বন্যার্ত মানুষের পাশে চবি শিক্ষার্থীরা

তলিয়ে গেছে শতশত ঘর-বাড়ি

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও খাবার নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। তাদের উদ্যোগে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শত শত অসহায় ও দুর্গত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

শনিবারসহ (১১ জুলাই) গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকায় এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চাকসু নেতা, ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ অন্যান্য চবি শিক্ষার্থীরা বাঁশখালীর বাসিন্দা হওয়ায় দুর্যোগের শুরু থেকেই স্থানীয় পানিবন্দী মানুষদের সহযোগীতা করতে মাঠে নামেন তারা। 

আমাদের বাঁশখালী আজ ভালো নেই। উপকূলীয় অঞ্চলের এই এলাকার শতভাগ বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মানুষজন অনাহারে রয়েছে। যাদের মাটির ঘর ছিল, পুরোটাই ধ্বসে পড়েছে।
— মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন, চবি শহিদ আবদুর রব হল সংসদের ভিপি।

চবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আতাহার বলেন, পানিবন্দী এলাকাগুলোতে আমাদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, চানাচুর, মোমবাতি, গ্যাসলাইটার, বিশুদ্ধ খাবার পানীয়, স্যালাইনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

চবির শহিদ আবদুর রব হল সংসদের ভিপি মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন বলেন, আমাদের বাঁশখালী আজ ভালো নেই। উপকূলীয় অঞ্চলের এই এলাকার শতভাগ বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মানুষজন অনাহারে রয়েছে। যাদের মাটির ঘর ছিল, পুরোটাই ধ্বসে পড়েছে। 

তিনি আরো বলেন, সংগ্রহকৃত মানবিক সহযোগীতায় মা-বোনদের জন্য সুরক্ষাপ্যাড, শিশুদের ডায়াপারসহ কয়েক লাখ টাকার বাজার করেছি। যা উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে নৌকা নিয়ে পৌঁছে দিচ্ছি।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।