শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
দুর্নীতি

জাল সনদে সরকারি চাকুরীর, অভিযুক্ত চার জন!

লক্ষ্মীপুরে জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে চারজন শিক্ষককে বেতন-ভাতাসহ সরকারি সুবিধা বাবদ প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে প্রেরিত ৪৭১ জন জাল/ভূয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকায় লক্ষ্মীপুরের চার শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালিকাভুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুর উপজেলার লুধুয়া এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. মিজানুর রহমান, রামগঞ্জের জিয়াউল হক হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আনোয়ার হোসেন, কমলনগরের হাজিরহাট উপকূল কলেজের প্রভাষক (কম্পিউটার) আক্তার হোসেন এবং রামগঞ্জের পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) জান্নাতুল ফেরদৌসী।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় মো. মিজানুর রহমানকে ৩৯ লাখ ১ হাজার ১১৫ টাকা, মো. আনোয়ার হোসেনকে ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৬১৮ টাকা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসীকে ১৭ লাখ ৯০ হাজার ৫০৫ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমান দাবি করেন, তার সনদ জাল প্রমাণিত হয়নি। অডিট আপত্তির বিষয়ে তিনি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জবাব দিয়েছেন। তবে নতুন করে কোর্স সম্পন্ন করে সনদ জমা দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তদন্ত ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুর্নীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।