লক্ষ্মীপুরে জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে চারজন শিক্ষককে বেতন-ভাতাসহ সরকারি সুবিধা বাবদ প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে প্রেরিত ৪৭১ জন জাল/ভূয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকায় লক্ষ্মীপুরের চার শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালিকাভুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুর উপজেলার লুধুয়া এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. মিজানুর রহমান, রামগঞ্জের জিয়াউল হক হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আনোয়ার হোসেন, কমলনগরের হাজিরহাট উপকূল কলেজের প্রভাষক (কম্পিউটার) আক্তার হোসেন এবং রামগঞ্জের পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) জান্নাতুল ফেরদৌসী।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় মো. মিজানুর রহমানকে ৩৯ লাখ ১ হাজার ১১৫ টাকা, মো. আনোয়ার হোসেনকে ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৬১৮ টাকা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসীকে ১৭ লাখ ৯০ হাজার ৫০৫ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মিজানুর রহমান দাবি করেন, তার সনদ জাল প্রমাণিত হয়নি। অডিট আপত্তির বিষয়ে তিনি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জবাব দিয়েছেন। তবে নতুন করে কোর্স সম্পন্ন করে সনদ জমা দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তদন্ত ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।