শিরোনাম
পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ১৫ বছরের বিরোধ, ন্যায্য অধিকার ফেরতের দাবি ফরহাদ আহমেদ সম্রাটের পূর্ণ নিরাপত্তায় শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার ‘রোডম্যাপ চূড়ান্ত’ আঠারবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ৬ জনের ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ধুনটে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ধুনটে ঔষধ সেবনের পর অসুস্থ,চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু লালমনিরহাটে যুবককে তুলে নিয়ে মারধর ও ২ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ পাবনা আমিনপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা
বাছাইকৃত

কবিগুরুর স্মৃতিচিহ্নটুকুও বাদ যায়নি ‘মবের’ থাবা থেকে!

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী জমিদারবাড়ি—যেখানে একসময় পদচারণ করেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি এখন নীরব ক্ষোভ আর বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। গত ৫ আগস্টের পর বদলে গেছে কাচারিবাড়ির দৃশ্যপট। ভবনটি এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেও মুছে ফেলা হয়েছে সামনে লেখা ‘রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন’ নামফলক।

১৯২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি কবিগুরুর আগমনের স্মৃতি বহনকারী এই জমিদারবাড়িটি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়দের কাছে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। ঈশ্বরগঞ্জ সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত কারুকার্যমণ্ডিত ভাঙাচোরা এই অট্টালিকার কাছারিবাড়ি ভবনেই ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আঠারবাড়ী ডিগ্রি কলেজ।

প্রতিবছর কবির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ ছুটে আসতেন এখানে। কিন্তু সম্প্রতি একদল ব্যক্তি এসে ‘রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন’ লেখাটি মুছে দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান লিখে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংস্কৃতিমনা মানুষ প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাঁদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে। ফলে অনেকেই তখন মুখ খুলতে সাহস পাননি।

আঠারবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহীদুর রহমান বলেন, “সেই সময় পরিস্থিতি এমন ছিল যে কিছু বলাই সম্ভব হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানে মুছে ফেলা নামটি আবারও ফিরিয়ে আনা যেতে পারে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, রবীন্দ্রনাথ কেবল একজন কবি নন; তিনি বাঙালির সংস্কৃতি, সাহিত্য ও আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনার পরিচয় মুছে ফেলার ঘটনা শুধু একটি নামফলক অপসারণ নয়, বরং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত।

মূল সংবাদ- দৈনিক কালের কণ্ঠ 

বাছাইকৃত থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।