শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
দুর্নীতি

ববি প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস আটকে রাখার অভিযোগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে এক ঠিকাদারের বিল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদের সঙ্গে ‘সমঝোতা‘ না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার।

 

ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান ‘মুন্সি এন্টারপ্রাইজ‘-এর স্বত্বাধিকারী সাইফুল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, “সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ঘুষের দাবি করে আসছেন। যিনি তাকে টাকা দেন, তার বিল দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি তাকে চাঁদা   না  দেওয়ায় গত ১৩ মাস ধরে আমার পাওনা বিলটি আটকে রাখা হয়েছে।“

 

ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি আরও অভিযোগ করেন, “সবাই বিল পেয়ে গেলেও শুধুমাত্র সমঝোতা না হওয়ার কারণে আমার বিলটি আটকে আছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গতকাল (রবিবার) আমি তার কক্ষে গেলে তিনি আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং রুম থেকে বের করে দেন।“

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ ঘুসের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত ঠিকাদার সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় বিল তৈরিতে দেরি হয়েছে।“

বিল আটকে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, “তিনি (ঠিকাদার) যে কাজগুলো করেছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সেগুলোর একটি কাজের প্রত্যয়নপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। এতে আমার কাজের সুবিধা হতো, কিন্তু তিনি তা সরবরাহ করতে পারেননি। আমি সরকারি চাকরি করি, বিল পাসের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে।“

 

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ–প্রধান প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদিন বলেন, “কোনো ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস তো দূরের কথা, ১৩ দিনও আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তাও আমার জানা নেই।“

 

 তিনি বলেন, “আমাদের মামুন সাহেবের কিছুটা গাফিলতি আছে। নিয়মানুযায়ী আমরা যে কাজ করেছি, সেটার একটি প্রত্যয়নপত্র লাগবেই, তা না হলে বিল পাস করা সম্ভব নয়।” চাঁদা বা ঘুস দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ–প্রকৌশলী বলেন, “না, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই।“

দুর্নীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।