শরীয়তপুরের জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্বে আগুন দেওয়ার অভিযোগে শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যানসহ ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। এতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় সদরের পালং মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছাইয়েদুল ইসলাম।
মামলায় শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান এবিএম গিয়াস উদ্দিন পাহাড় ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের আহবায়ক মহসিন মাদবরসহ ২২ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ওই মামলার আসামি রিয়াজুল ইসলাম(২১) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শরীয়তপুর জেলা শহরে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দেয়। দুই তিন জন ছাত্রলীগের কর্মী জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন এমন একটি ভিডিও শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মহসিন মাদবর। এরপর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং এনসিপির জাতীয় যুব শক্তির নেতাকর্মীদের নজরে আসে।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের আশেপাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে আমরা জানতে পেরেছি কারা স্মৃতিস্তম্ভটিতে আগুন দিয়েছেন। তাদের সনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনার মূলে রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা মহসিন মাদবর। তাকেসহ তার অনুসারী ২২ নেতাকর্মীর নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ও জাতীয় যুব শক্তির নেতারা জানান, শরীয়তপুর জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে স্থানীয় প্রশাসন। ওই স্মৃতিস্তম্ভটিতে রাতের আধারে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। আগুনের তাপে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশের চারদিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শরীয়তপুরে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্বে আগুন, সাবেক পৌর চেয়ারম্যানসহ ২২জনের নামে মামলা
অপরাধ
থেকে আরও পড়ুন



এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।