মের্সাস সাগর ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রয়ে লুকোচুরি করায় চিলমারীতে গত এক সপ্তাহ আগ থেকেই ক্রেতা সাধারনের তেল সংকট চরম আকার ধারন করেছে। তেল সংকট নিরসন করে ২৪ ঘন্টা তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার দাবী জানিয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। পাশ্ববর্তী উপজেলা ও জেলা সদরে কোন ধরনের তেল সংকট বা তেল মৌজুদের সম্ভাবনা না থাকলেও চিলমারীতে সাগর ফিলিং স্টেশনে তার উল্টো কর্মকান্ডের অভিযোগ সচরাচর প্রমান মিলছে। শুরুতেই ৩/৪ দিন উক্ত পেট্রলপাম্প মালিকের নির্দেশে সম্পূর্ন ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে মটর সাইকেল,মাইক্রো, ট্রাক ও বাস মালিকগনের অসংখ্য অভিযোগ শোনা যায়। পাম্পের মালিকের সংগে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীগন জানান, তেল পাওয়া যাচ্ছেনা কোথাও, তাই তেলের সংকট কাটাতে ২৪ ঘন্টায় দুই থেকে আড়াই ঘন্টায় স্বল্প সংখ্যক যানবাহনে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তেল প্রদান করায় সময় বেধে দেয়া হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত। রোজা, ইফতার ও তারাবীর এ সময়ে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বেশির ভাগ মানুষ তেল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে করে এলাকার বাজার, রাস্তার মোড় কিংবা দূরদূরান্তের যাত্রায় তেল সংকট নিরসনে বিভিন্ন খুচরা বিক্রতারা প্রতি লিটার ২০০/- টাকায় বিক্রি করছেন। তারা কেন এতো দাম নিচ্ছেন এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে থানাহাট বাজারের জনৈক বিক্রেতা জানান, পাম্প থেকে আমাদেরকে বেশি দামে তেল কিনতে হয়। রেডিও শিল্পী আনোয়ারুল বলেন,উলিপুর, কুড়িগ্রাম সহ অন্য কোথাও তেলের এ ধরনের অব্যবস্থাপনা চোখে না পড়েনা। চিলমারীতে অবৈধ ভাবে তেল মজুদ করার তাগিদে পেট্রোল পাম্পে কৃত্রিম এ সংকট কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে জোরালো দাবী তুলেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক তদন্ত করলেও তার বদলী জনিত কারনে বিষয়টি ধামাচাপা অবস্থায় রয়েছে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।