রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ীহাটে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘রাজাবাড়ীহাট দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামার’ পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে তিনি খামার কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং এর সার্বিক উন্নয়ন ও বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
খামারের সমস্যা সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান খামারগুলোর বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “দেশের দুগ্ধ ও আমিষের চাহিদা পূরণে এই খামারের ভূমিকা অপরিসীম। এখানকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান করতে হবে।”
তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন:
- খামারের বিদ্যমান সমস্যা ও উন্নয়নের সম্ভাবনাগুলো বিস্তারিতভাবে লিখিত আকারে জমা দিতে হবে।
- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত প্রস্তাবনা পৌঁছালে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তাৎক্ষণিক চাহিদা ও আশ্বাসে এমপি
পরিদর্শনকালে খামারের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বেশ কিছু জরুরি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে প্রধান সমস্যাগুলো হলো:
১. জনবল সংকট: প্রয়োজনীয় পদের বিপরীতে লোকবলের অভাব।
২. পানির সমস্যা: খামারের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য একটি নতুন ডিপ-টিউবওয়েল স্থাপন।
৩. নিরাপত্তা: দীর্ঘদিনের পুরনো ও ভেঙে যাওয়া সীমানা প্রাচীর সংস্কার।
এমপি মুজিবুর রহমান এসব দাবি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে শোনেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।
খামার কমপ্লেক্সের চিত্র
উল্লেখ্য, রাজাবাড়ীহাট দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামার কমপ্লেক্সটি মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত:
- সরকারি দুগ্ধ খামার
- সরকারি গবাদি উন্নয়ন খামার
- কৃত্রিম প্রজনন ও পশু উন্নয়ন ইউনিট
- পশুখাদ্য উৎপাদন ইউনিট
এমপি প্রতিটি ইউনিটের কার্যক্রম সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর পরামর্শ দেন।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. ইসমাইল হক, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর আফজাল হোসেন, রাজশাহী জেলার সিভিল সার্জন ডা. রাজিউল করিম এবং সংশ্লিষ্ট খামারগুলোর পরিচালকবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা সহ-সেক্রেটারি অধ্যাপক কামরুজ্জামান এবং মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনোয়ারুল করিমসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।