শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
দুর্নীতি

জীবিত মাকে কাগজে ‘হত্যা’! বাবার সম্পত্তি স্ত্রীর নামে হস্তান্তরের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জীবিত মাকে মৃত দেখিয়ে এবং ভাই-বোনদের বঞ্চিত করে বাবার সম্পত্তি স্ত্রীর নামে দলিল পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল হান্নান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ভাটিচরনওপাড়া গ্রামের মৃত সাহেদ আলীর ছেলে আব্দুল হান্নান এ দলিল পরিবর্তনের কাজ করেছেন।

জানা যায়, ২০১৪ সালে ঈশ্বরগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার অফিসে ৫৪৮১ নাম্বার দলিল সম্পাদনা করেন হান্নান। ওই দলিলে তার মা রহিমা খাতুনকে মৃত দেখানো হয় এবং দুই ভাই ও চার বোনের নামও উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে- কৌশলে বাবার ৩৯ শতক জমি স্ত্রী হেলেনা খাতুনের নামে লিখে দেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

জীবিত রহিমা খাতুন বলেন, আমি তো মরিনি, আমার ছেলে দলিলে আমাকে মরা দেখিয়েছে। এভাবে আমার জমি তার স্ত্রীর নামে লিখে নিয়েছে।

হান্নানের বোন আম্বিয়া, মিনারা, ইয়াসমিন ও তহুরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বড় ভাই বাবার সম্পত্তি মাকে মৃত দেখিয়ে তার স্ত্রীর নামে লিখে দিয়েছেন। আমাদেরও বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছেন। আমরা এর বিচার চাই।

ছোট দুই ভাই মজিদ ও প্রবাসে থাকা সোহেল রানাও অভিযোগ করেন, আমাদের বঞ্চিত করতে বড় ভাই কৌশলে মাকে মৃত দেখিয়ে জমি লিখে নিয়েছেন। এমনকি আমাদের হয়রানি করতে পুকুর থেকে লাখ টাকার মাছ চুরির মিথ্যা অভিযোগও করেছেন, যা তদন্তে পুলিশ কোনো আলামত পায়নি।

অভিযুক্ত আব্দুল হান্নান বলেন, দলিল লেখার সময় হয়তো কম্পিউটারে ভুল হয়েছে। আমি মাকে মৃত দেখাইনি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলী ফকির জানান, আমি ওয়ারিশান সার্টিফিকেটে রহিমা খাতুনকে মৃত দেখাইনি। দলিল কিভাবে হয়েছে তা আমি বলতে পারব না।

সংবাদ ক্রেডিট- যুগান্তর 

দুর্নীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।