চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগামী ২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য হাসপাতালে ভর্তি রোগীর জন্য খাদ্য সরবরাহ, মনোহারী মালামাল সরবরাহ ও বস্ত্র পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতার জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি গত ১৮/০২/২০২৬ ইং তারিখে এলাকার দেখা যায়না এমন দুটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রভাব খাটানো অফিস সহকারী শামসুল আজম, স্বাস্থ্য ও প,প,কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্টগন প্রতি অর্থ বছরেই খাদ্য, স্টেশনারী এবং কাপড় পরিস্কার-পরিছন্নতা কাজে সরবরাহকারী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের সাথে অনৈতিক উপায়ে মনোনয়ন দেন বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে। আর এই অনৈতিক কাজের ফলশ্রুতিতে নিয়োগকৃত সরবারহকারীদের বিরুদ্ধে জনগন সারা বছরই নানান দূর্নীতির অভিযোগের কথা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করালেও কোনই ফল লাভ হয়নি। উপরন্তু দিনের পর দিন তারা তাদের কাজ নির্বিঘ্নে চালিয়ে সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্নীতি করলেও দেখার কেউ নেই মর্মে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। জানা যায়, গত ২৪-২৫ অর্থ বছরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরদেরকে খাদ্য সরবরাহের জন্য স্থানীয় বাবু, আজিবুর, নয়া মিয়া সহ আরো কয়কজন টেন্ডার পত্র দাখিল করলেও অবশেষে উর্ধ্বতন কর্মকতা ও একটি প্রভাবশালী মহলের নগ্ন হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বাবুই টেন্ডার টি পেয়ে যায়। এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অংশগ্রহনকারীগন বলেন, জেলা শহরের একজন দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি সিভিল সার্জনকে ম্যানেজ করে খাদ্য সরবরাহের কাজটি পাইয়ে দিয়েছেন। তার একাজে ৫ লক্ষাধীক টাকাও ব্যয় হয়েছে মর্মে অসমর্থীত সূত্রমতে জানা যায়। হাসপাতালে ভর্তিরোগীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ,লুইনিন ক্লিনার ও স্টেশনারী মালামাল সরবরাহে যাবতীয় অনিয়মের মুলহোতাই হচ্ছে অফিস সহকারী শামসুল আজম শামসু। যিনি প্রায় কয়েক যুগধরেই এই হাসপাতালে প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম আর অনৈতিক কাজের দূর্গগড়ে তুলেছেন। উক্ত শামসুর যোগসাজশে টিএইচও আমিনুল ইসলাম ব্যাপক দূর্নীতির চক্করে পড়েছেন এবং তার উদাসীনতায় উপজেলার প্রান্তিক মানুষের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা আজ ভেস্তে গেছে বলে অভিযোগ শোনা যায়। বিগত ২৪-২৫ অর্থ বছরে এক বছর করে ঠিকাদারগনের সময়ের পরিবর্তে কোন বছর অতিরিক্ত ৩/৪ মাস ব্যবসা চালায়, যা একেবারেই অবৈধ বলে স্থানীয়রা দাবী করেন। তাছাড়াও রোগীর খাদ্য রুটিন ও মেনু মোতাবেক সরবরাহ না করায় চলতি বছরে সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে রোগী ও তাদের পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে আসছেন।এই অবৈধ সময়টুকুতেই অফিস সহকারী লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন মর্মে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়। তা ছাড়াও স্টেশনারী মালামাল, ঔষধ ক্রয়, বিভিন্ন ধরনের কেজো-অকেজো মালামালের নাম মাত্র নিলামে নিজেই লোকজনকে দিয়ে নিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন। হাসপাতালের টি এিচও আমিনুল এসব কিছু দেখেননা বা শামসুর বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ দিলেও তিনি শোনেন না বলে একাধিক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। চিলমারী উপজেলাবাসী উপজেলার একমাত্র সরকারী হাসপাতালটিকে চলমান রেখে পিছিয়েপড়া অসহায় সাধারনন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দূনীর্তিবাজদেরকে এই হাসপাতালে দেখতে চায়না। তাদের দাবী চলতি ২৫-২৬ অর্থ বছরে যথাযথ ভাবে হাসপাতালে খাদ্য, ঔষধ, স্টেশনারী সহ যাবতীয় জিনিস পত্র কেনা,নিলাম ও সরবরাহ কাজে কর্তৃপক্ষ শতভাগ দূর্নীতি মুক্ত করার ব্যবস্থা নিবেন। দূর্নীতিবাজ অফিস সহকারী শামসু ও উদাসীন টিএইচও ডাঃ আমিনুল দ্বয়কে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আপামর জনসাধারন জোর অনুরোধ জানিয়েছেন।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।